গত কয়েক দিন ধরে সমাজমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে অভিনেতা বিজয় বর্মার নামে একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির একটি স্ক্রিনশট। সেখানে সংরক্ষণ এবং সামাজিক বিশেষাধিকারের প্রসঙ্গে কিছু কথা লেখা ছিল, যেগুলো অভিনেতার মতামত বলে দাবি করা হয়েছিল। স্ক্রিনশটটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় জোর বিতর্ক। অবশেষে সেই ছবি নিয়ে মুখ খুললেন বিজয়।
ভাইরাল স্ক্রিনশটটি দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, সেটি সত্যিই বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয়। বিতর্ক বাড়তে থাকায় শনিবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে অভিনেতা স্পষ্ট জানান, ওই স্ক্রিনশট সম্পূর্ণ ভুয়ো।
ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে বিজয় লেখেন, “আমি কখনও এমন কিছু পোস্ট করিনি। সবটাই মিথ্যা।” পরে একই স্ক্রিনশট আবার পোস্ট করে তিনি লেখেন, “আমি এটা পোস্ট করিনি। এটা আমার ইনস্টাগ্রাম স্টোরি নয়।”
কী এমন লেখা ছিল ওই ‘ভুয়ো’ স্ক্রিনশটে? সেখানে দাবি করা হয়েছিল, বিজয় নাকি লিখেছেন যে, তাঁর জন্মের সময় বাবা একটি ‘মারুতি ৮০০’ গাড়ি কিনেছিলেন। দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর তাঁর জন্য ‘হন্ডা সিভিক’ কেনা হয়। সেই গাড়িতেই তিনি পড়তে যেতেন। অন্য দিকে, তাঁর এক মারোয়ারি বন্ধু তখনও ১২ বছরের পুরনো ‘হিরো হন্ডা’ মোটরবাইক চালাতেন। পরে দু’জনে একটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসেন। বন্ধু ভাল নম্বর পেলেও আসন পাননি। অভিনেতার সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজন না থাকলেও তাঁর বন্ধুর ছিল। তাঁর অধিকার ছিল। অন্তত সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার তাঁর ছিল বলে ওই পোস্টে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নফাঁস এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র নেতৃত্বে যে ছাত্র আন্দোলন চলছিল, তার প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বিজয়। আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরেও সমাজমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবির ‘চন্না মেরেয়া’ গানের এক পংক্তি উদ্ধৃত করে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন অভিনেতা। সেই আবহেই তাঁর নামে ভুয়ো পোস্ট ছড়িয়ে পড়তেই মুখ খোলেন তিনি।