৮ অক্টোবর ভোরবেলা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা নানা পটেকর। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা বিনোদনদুনিয়া। বন্ধুবিয়োগের যন্ত্রণায় কাহিল মিঠুন চক্রবর্তীও। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিনেতা বলেন, “আমি ভীষণ ভীষণ ভীষণ দুঃখ পেয়েছি।”
নানা প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “আমার খুব ভাল বন্ধু ছিল। আমার অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু। খুব সাধারণ জীবন যাপন করত। ওর সাদামাঠা সাজপোশাক দেখলেই সেটা যে কেউ বুঝতে পারবেন। যে কারও প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।” তিনি আরও বলেন, “লোকে বলে, ওর নাকি খুব রাগ ছিল। কোনও জিনিস সংগঠিত না হলে, রাগ সকলেরই হয়। আমারও হয়। আমরা একসঙ্গে ‘সাগর সঙ্গম’ ছবিতে কাজ করেছিলাম। তবে সিনেমার জন্য নয়, সেই সম্পর্কের ঊর্ধ্বে ছিল আমাদের বন্ধুত্ব।”
বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে নানার। গোয়ায় নিজের বাড়িতে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায় অভিনেতাকে। এর পরে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকেরা মৃত বলে জানান। জানা গিয়েছে, অভিনেতাকে বাঁচানোর জন্য প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয়েছিল। তবে তাতে সাড়া মেলেনি তাঁর। অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি মামলা দায়ের হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কারণ ও পরিস্থিতি আরও খতিয়ে দেখতে ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া বলিউডে। অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রনৌত, রীতেশ দেশমুখ, রবি কিশন, প্রকাশ রাজ শোকপ্রকাশ করেছেন। সমাজমাধ্যমে শোকবার্তা জানিয়েছেন রাম গোপাল বর্মা, সুনীল শেট্টী, রবীনা টন্ডন, ঊর্মিলা মাতোন্ডকর-সহ অনেকেই। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ন্ত। নানার অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁর শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার।