বলিউডে একসময় করীনা কপূর খান ও শাহিদ কপূরের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হত বিস্তর। তবে সেই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। একটা সময়ে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তাঁরা। তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়, তা অবশ্য কোনও দিনই স্পষ্ট হয়নি। বিচ্ছেদের পরে আর বন্ধুত্ব বা সৌজন্যের সম্পর্কও রাখেননি করীনা ও শাহিদ। একই অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলেও পরস্পরকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। কিন্তু এ বার করীনার মুখোমুখি হচ্ছেন শাহিদ-পত্নী মীরা কপূর।
করীনার জনপ্রিয় আড্ডার অনুষ্ঠানে এ বার অতিথি হিসাবে দেখা যাবে শাহিদ কপূরের স্ত্রী মীরাকে। ইতিমধ্যেই সেই অনুষ্ঠানের শুটিং হয়ে গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি ভাগ করে নিয়ে সেই ঝলকও অনুরাগীদের দেখিয়েছেন মীরা। করীনাও ভাগ করে নিয়েছেন একটি ছবি। সেখানেই একই ফ্রেমে প্রথম বার একসঙ্গে দেখা গিয়েছে শাহিদের প্রাক্তন ও বর্তমান সঙ্গীদের।
করীনার সঙ্গে তাঁর কথোপকথনে কী কী উঠে এসেছে, তা অবশ্য এখনও প্রকাশ্যে আনেননি মীরা। শাহিদ-পত্নী তাঁর ছবিগুলি ভাগ করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “মহিলারা নিজেদের মতো করে বাঁচতে চান। আমাকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ করীনা। তুমি যেমন মানুষ ও নারী, তেমনই থাকার জন্য তোমাকেও ধন্যবাদ।” সেই পোস্টেই করীনা মন্তব্য করেছেন, “তুমি এসেছ, এর জন্য আমি খুব খুশি।” করীনা ও মীরাকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরাও। তাঁদের মধ্যে কী কী কথা হয়ে থাকতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
করীনার এই অনুষ্ঠানে সাধারণত সম্পর্ক, বিয়ে, পরিবার, বন্ধুত্ব থেকে শুরু করে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন— নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। তাই মীরা অতিথি হওয়ায় এই পর্ব নিয়ে ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। শাহিদের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন, সন্তানদের বড় করে তোলা কিংবা নিজের জীবনযাপন নিয়ে কি কোনও অজানা কথা বলবেন মীরা, সেই অপেক্ষাতেই দর্শক।
উল্লেখ্য, শোনা যায় ‘জব উই মেট’ ছবির শুটিং এর সময়েই করীনা-শাহিদের সম্পর্কে চিড় ধরে। কিন্তু তার চিহ্নমাত্র প্রকাশ পায়নি শাহিদ-করিনার অভিনয়ে। নিজেদের সমস্যা কখনও ছবির সেটেও নিয়ে আসেননি তাঁরা। পরিচালক ইমতিয়াজ় আলি দু’জনেরই পেশাদার আচরণের প্রশংসা করেছেন সাক্ষাৎকারে। পরে সইফ অলী খানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান করীনা। ২০১২-য় সইফের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন করীনা। অন্য দিকে ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন শাহিদ। সম্বন্ধ করে বিয়ে হয় তাঁদের।