মুম্বইয়ে গুলিকাণ্ডের পর অভিনেতা টাইগার শ্রফের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্দে। অভিনেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি জানান, ওই ঘটনায় টাইগার এবং তাঁর মা আয়শা শ্রফ দু’জনেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় অভিনেতাকে লক্ষ্য করে গুলি করেছিল দুষ্কৃতীরা। টাইগারের সামান্য আঘাত লাগে। কিন্তু গুলিতে আহত হন অভিনেতার গাড়িচালক এবং এক অটোচালক। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তিন অভিযুক্তকে।
এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি টাইগার। তবে এর আগে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভয়, উদ্বেগ, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানা ধরনের মানসিক টানাপড়েন নিয়ে কথা বলেছিলেন অভিনেতা। কী ভাবে নিজের অস্থিরতা ও ভয়কে কাজের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করেন, সে কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। টাইগারের মতে, কাজই তাঁকে অনেকটা শান্ত ও স্থির থাকতে সাহায্য করে।
কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে টাইগার জানিয়েছিলেন, পর্দায় মারপিটের দৃশ্যে অভিনয় করার ফলে তাঁর মতো তারকাদের সাধারণত সাহসী ও নির্ভীক বলেই মনে করা হয়। কিন্তু বাস্তবে তিনি নিজে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। প্রতিদিন নিজেকে আরও উন্নত করে তোলার চেষ্টা করেন তিনি। সেই চেষ্টাই তাঁকে মানসিক ভাবে স্থির থাকতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
নিজেকে কি আবেগপ্রবণ ও দুর্বল মনে করেন? এই প্রশ্নের উত্তরে টাইগার বলেন, “আমি খুবই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি। জানি, পরিবর্তন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবু পরিবর্তনকে ভয় পাই।”
সাক্ষাৎকারে নিজের উড়ান চড়া নিয়ে ভীতির কথাও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। কয়েক বছর আগে বিমানে এক ভয়াবহ ঝাঁকুনির অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তার পর থেকেই বিমানে চড়ার আগে উদ্বেগে ভোগেন তিনি। টাইগার বলেন, “আমি মনোবিদের সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছি। আমার উড়ানভীতি রয়েছে। কয়েক বছর আগে একটি বিমানে খুব ঝাঁকুনি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে বিমানে চড়ার আগে খুব উদ্বেগ হয়। বিমানে ওঠার কয়েক দিন আগে থেকেই এই ভয় কাজ করতে শুরু করে। এখনও সেই ভয় কাটিয়ে উঠতে পারিনি।”
অভিনেতা জানান, বিমানযাত্রা কতটা নিরাপদ, তা জানার চেষ্টা করেছেন তিনি। একাধিক পাইলটের সঙ্গেও কথা বলেছেন। কিন্তু তাতেও ভয় কাটেনি।