রথযাত্রার দিন সকাল থেকেই সাজো সাজো রব। উৎসবের সূচনা। জগন্নাথদেবের পুজোয় ব্যস্ত ভক্তরাও। বিশেষ দিনে পুজো দিতে তারকারা কেউ পৌঁছে গিয়েছেন পুরী, কেউ আবার দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে। কেউ আবার প্রতি বছরের মতো বাড়িতেই পুজোর আয়োজন করছেন। আর বাড়িতে খুদে সদস্য থাকলে তো আর কথাই নেই। তাঁদের নিয়েই মেতে উঠেছেন অভিভাবকেরা। যেমন, কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজ বাড়িতেই প্রতি বছর পুজোর আয়োজন করেন।
এ বার কাঞ্চন ব্যস্ত শুটিংয়ে। তাই নিজের মতো করেই পুজোর আয়োজন করছেন শ্রীময়ী। আনন্দবাজার ডট কম-কে শ্রীময়ী বলেন, ‘‘আমার রথ বানানোই ছিল। ওটাই সাজিয়েছি। কৃষভির জন্যই রথ গোটা বাড়িতে ঘোরানো হয়েছে। সকাল থেকে খুব বৃষ্টি হওয়ায় কৃষভিকে বাইরে নিয়ে বেরোনোর কথা আর ভাবিনি। ছোট তো, তাই। কাঞ্চন থাকলে পাড়ায় একটু বেরোতাম, মেয়ে একটু রথ টানত। বাঁশি বাজাত। জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে রথেই রেখেছি। মিষ্টি দিয়েছি ভোগে।’’
জগন্নাথপুজোয় শ্রীময়ী। ছবি: সংগৃহীত
বাড়ির পুজোয় কী কী ভোগ রাঁধলেন শ্রীময়ী? প্রশ্ন শুনে খানিক মন খারাপ করা গলায় অভিনেত্রী বলেন, ‘‘এ বারে অন্নভোগ দেওয়া হয়নি। আমি একা হাতে করে উঠতে পারিনি। কাঞ্চন থাকলে মেয়েকে সামলায়, আমি তখন সব দায়িত্ব নিয়ে নিই। এ বার ওর শুটিং পড়ে গিয়েছে। গতকালও রাত দেড়টায় বাড়ি ফিরেছে। তাই এ বার জিভেগজা, খাজা, ক্ষীরের মিষ্টি কিনে এনেছি। মালপোয়া, পায়েস তৈরি করেছি। বাড়িতে ঠাকুরমশাই আসবেন। জগন্নাথকে নতুন পোশাক পরিয়েছি। মাথার পাগড়ি পরিয়েছি, আর আজকের দিনে প্রতিবছরই সব গয়না পরাই। এ বারও সাজিয়েছি।’’
আরও পড়ুন:
শ্রীময়ীর কাছে আজকের দিনে পাঁপড়ভাজা আর জিলিপি খাওয়াটা তো মাস্ট। ইতিমধ্যেই তা খেয়েওছেন তিনি। তাঁর কথায়, ছোট্ট কৃষভি আগের বছরেও রথ টেনেছিল। তবে খুব ছোট থাকায় তা বুঝতে পারেনি। এই বছর নতুন জামা পরে সারাবাড়ি রথ টেনেছে। জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে দেখে তাঁর মুখে এক গাল হাসি। তাই এই বছরের রথ বেশ ভাল করেই উপভোগ করল কৃষভি, জানালেন শ্রীময়ী।