‘ষাটোর্ধ্ব মানুষটি গিয়ে বসলেন চেয়ারে…’ কোথায় বসলেন? ‘চেয়ার’। অথবা পুরনো কলকাতা মানেই ‘নস্টালজিয়া’! খেয়াল করে দেখেছেন, এই ‘চেয়ার’ এবং ‘নস্টালজিয়া’র প্রকৃত বাংলা প্রতিশব্দ খুঁজতে বসলে পেরিয়ে যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমন বহু ইংরেজি শব্দের বাংলা অনুবাদ থাকলেও, সেগুলির আবেগ, সাংস্কৃতিক অর্থ বা সূক্ষ্ম তাৎপর্য পুরোপুরি বাংলায় প্রকাশ করা যায় না। অপর দিকে বাংলার শব্দভাণ্ডারেও ঘুরে বেড়াচ্ছে এমন কিছু শব্দ, যার ইংরেজি অনুবাদ খুঁজে বের করাও দুষ্কর।
আরও পড়ুন:
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কাছের প্রতি মানুষের প্রতি নীরব কষ্টকে বলা যায় ‘অভিমান’। এর ইংরেজি অর্থ খুঁজতে বসুন, পেলেন? অন্য দিকে বাংলার অতি সুন্দর একটি শব্দ ‘মায়া’র-ও প্রকৃত ইংরেজি অনুবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। যদিও এটিকে ‘অ্যাফেকশন’-এর তকমা দেওয়া গেলেও এর প্রকৃত অর্থ নেই বললেই চলে।
এমনই আরও বাংলা শব্দ যেমন, বাঙালির প্রিয় ‘আড্ডা’ থেকে শুরু করে ‘কাকভোর’-এ ঘুরতে যাওয়ার ‘হুজুগ’, ইত্যাদির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ‘মন খারাপ’কে ‘ফিলিং ইমোশনালি ডাউন’ দিয়ে পরিবর্তন করা গেলেও সেই ভিতরের ‘বিষণ্ণতা’কে কি সঠিক ভাবে তুলে ধরা যায়? অথবা ‘ঘরকুনো’ মানুষটি-ও কি খুঁজে পান নিজের ‘ইংরেজি বিশেষণ’? আসলে এই শব্দগুলির কোনও নির্দিষ্ট একটি ইংরেজি প্রতিশব্দ নেই। এগুলিকে প্রকাশ করতে সাহায্য নিতে হয় একাধিক শব্দ সমষ্টির।
মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে সেরা স্কুলের খোঁজ করতে আবারও 'শব্দ-জব্দ' নিয়ে হাজির আনন্দবাজার ডট কম। আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ ২০২৬'-এর পার্টনাররাও এই সম্মান জ্ঞাপনের সঙ্গী। প্রতিযোগিতার প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘ইস্টার্ন ইনস্টিটউট ফর ইন্টিগ্রেটেড লার্নিং ইন ম্যানেজমেন্ট’। পাওয়ার্ড বাই পার্টনার ‘রিলায়েন্স ট্রেন্ডস্’, ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস, দুর্গাপুর’। ধন্যবাদ আমাদের অন্যান্য সহযোগীদেরও — ‘শব্দবাজি’ এবং ‘ডেলিফান’।