পর্যাপ্ত জল পান করলে কিডনি অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। জল রক্তে থাকা অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বার করে দেয়। শরীরে জলের অভাব হলে ইউরিক অ্যাসিড অস্থিসন্ধিতে ক্রিস্টাল বা শক্ত দানা হিসেবে জমা হয়। এর ফলে গাঁটে তীব্র ব্যথা এবং বাতের সমস্যা দেখা দেয়। জল শরীরের ভিতরে জমতে থাকা এই ক্ষতিকর অ্যাসিডকে সহজে ধুয়ে সাফ করে দেয়। করীনা কপূরের পুষ্টিবিদ ঋজুতা দিবেকরের মতে, দিনে ২-৩ লিটার জল খেতে হবে। তা হলে বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সুবিধা হবে। নিয়ম মেনে পর্যাপ্ত জল পান করলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায় ধীরে ধীরে।
জল ছাড়াও শরীরকে হাইড্রেট করার ৫টি পানীয়ের সন্ধান দেওয়া হল। এগুলি পান করলেও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হ্রাস পেতে পারে।
১. লেবুর জল: একটি অর্ধেক লেবুর রস জলে মিশিয়ে তা পান করা যেতে পারে। ভিটামিন সি-যুক্ত এই পানীয় ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করতে পারে।
লেবুর জল। ছবি: সংগৃহীত
২. ডাবের জল: শরীরে জলীয় অংশের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ডাবের জলের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত পান করলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে যেতে পারে ধীরে ধীরে।
৩. বার্লির জল: এক চামচ বার্লি জলে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেই জল পান করলে একাধিক উপকার মেলে। তার মধ্যে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হ্রাস পাওয়া অন্যতম। কারণ, নিয়মিত পান করলে শরীরে জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
বার্লির জল। ছবি: সংগৃহীত
৪. জিরের জল: হজমের জন্য অনেকেই খাওয়ার পর জিরের জল পান করেন। ফলে কেবল জল পান করতে ইচ্ছা না করলে জিরের জল খেয়ে শরীরে জলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারেন। এতে পরোক্ষ ভাবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমার সম্ভাবনা থাকে।
৫. আমলকির রস: ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খাওয়া দরকার বলে দাবি ঋজুতার। ইউরিক অ্যাসিড কমানোর জন্য রোজ আমলকি খেতে বলেছেন ঋজুতা। তা সে শুকোনো হোক বা আচার, মোরব্বা হোক বা কাঁচা— যে কোনও আকারেই আমলকি খাওয়া উচিত। তবে রস করে খেলে বা পানীয় বানিয়ে পান করলে শরীরে জলের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।