ঋতুস্রাবের সময়ে তলপেটের প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভোগেন অনেক মহিলাই। ঋতুস্রাব অনিয়মিতও হয় অনেকের। এই সমস্যা দূর করতে মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ নয়, বরং ভরসা রাখা যেতে পারে যোগাসনে। রজোনিবৃত্তি পর্বের যাবতীয় সমস্যা দূর করতেও এ আসন উপযোগী। হরমোনের গোলমালে অনেকেরই ঋতুস্রাব অনিয়িত হয়ে যায়, মেজাজেরও ঘন ঘন বদল ঘটে। এ সমস্যাও দূর হতে পারে যোগাসনে।
বৃশ্চিকাসন
প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। পর্বতাসন বা অধোমুখো শবাসনের ভঙ্গিতে ম্যাটের বসুন। কনুই ভাঁজ করে দু’হাত রাখুন মাটিতে। এ বার হাতের থেকে পায়ের ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। মাটি থেকে পায়ের পাতা তুলতে শুরু করুন। গোটা শরীরের ভার থাকবে হাতের উপর। শ্বাস নিতে নিতে এক এক করে দু’টি পা উপরের দিকে তুলুন। তার পর দু’টি হাঁটু ভাঁজ করে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পায়ের পাতা যতটা সম্ভব মাথার কাছাকাছি নিয়ে আসুন। খেয়াল রাখবেন, বুক, পেট, তলপেট অনেকটা ধনুকের মতো বেঁকে থাকবে। পিঠ, কোমর, নিতম্ব থাকবে টান টান।
আরও পড়ুন:
সিদ্ধাসন
প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে বসুন। পিঠ টানটান থাকবে। শ্বাসপ্রশ্বাস ধীরে ধীরে নিন। বাঁ পা ভাঁজ করে বাঁ হাঁটু ডান পায়ের কাফ মাসলের উপর রাখুন। একই ভাবে ডান পা ভাঁজ করে ডান হাঁটু বাঁ পায়ের কাফ মাসলের উপর রাখুন। এর পর দুই হাত হাঁটুর উপর রাখুন। জ্ঞান মুদ্রা করতে পারেন। তর্জনী ও বুড়ো আঙুল স্পর্শ করে এবং বাকি তিনটি আঙুল সোজা রাখতে হবে। উদ্বেগ কাটবে, মন ভাল থাকবে এই আসন অভ্যাসে।
শশাঙ্গাসন
প্রথমে বজ্রাসনে বসুন। তার পর মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে চেষ্টা করুন কপাল দিয়ে হাঁটু ছুঁতে। এ বার হাত দিয়ে দু’পায়ের গোড়ালি ধরুন। স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। তার পর ধীরে ধীরে মাথার তালু মাটিতে ছুঁইয়ে দশ বার গুণে ছেড়ে দিন। প্রথমেই এতখানি না পারলে অভ্যাস করলে ধীরে ধীরে পারবেন।