দূষণ যে ভাবে বাড়ছে, তাতে হাঁপানি আরও প্রবল ভাবে জেঁকে বসছে। হাঁপানির কষ্টে ভোগেন সারা বছর জুড়ে, এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। বিশেষ করে ছোটদের কষ্ট আরও বেশি। পাঁচ থেকে দশ বছরের শিশুর যদি হাঁপানি থাকে, অথবা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে খাওয়াদাওয়ায় বিশেষ নজর দিতে হবে। সেই সঙ্গেই জরুরি ব্যায়াম। শিশুর যদি ঘন ঘন হাঁপানির টান ওঠে ও শ্বাসকষ্ট হয়, তা হলে নির্দিষ্ট কিছু যোগাসন অভ্যাস করাতে পারেন। তবে শিশুর শারীরিক অবস্থা বুঝে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়েই যোগাসন অভ্যাস করাতে হবে।
মৎস্যাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে শুতে হবে। তার পর হাতে ভর দিয়ে কাঁধ মাটি থেকে উপরে তুলতে হবে। দুই হাত থাকবে পাশে। কাঁধ, পিঠ তুলে রাখতে হবে। মাথা পিছনের দিকে হেলে থাকবে। এতে মাথায় চাপ অনুভব হবে। বুক ও কাঁধ টানটান থাকবে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে।
আরও পড়ুন:
ধনুরাসন
প্রথমে উপুড় হয়ে শুতে হবে। তার পর হাঁটু ভাজ করে প্রথমে বাঁ পা, তার পর ডান পা পিঠের উপর নিয়ে আসতে হবে। এ বার দুই হাত দিয়ে গোড়ালি চেপে ধরতে হবে। শুরুতে গোড়ালি ধরতে সমস্যা হলে পায়ের আঙুল স্পর্শ করতে হবে। এতে কাঁধ পিছনের দিকে থাকবে, বুক সামনের দিকে প্রসারিত হবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে হবে। ৩০ সেকেন্ড করে তিন সেটে করতে হবে এই আসন।
কপালভাতি
কপালভাতি রোজ অভ্যাস করতে পারেন। আরামদায়ক কোনও একটি আসনের ভঙ্গিতে বসুন, তা পদ্মাসন, বজ্রাসন বা সুখাসনও হতে পারে। মাথা ও মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। চোখ বন্ধ করে আরামদায়ক অবস্থায় রাখুন গোটা শরীর। স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে শ্বাস নিন। শ্বাস ছাড়ার সময় পেটের পেশীর উপর চাপ দিতে হবে। দ্রুত শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হয়। সবে সবে শুরু করলে প্রতি দশ বারে একটি সেট করুন। পাঁচটি সেটে সম্পূর্ণ হয় এই প্রাণায়ামের অভ্যাস।