বাঙালির মিষ্টিপ্রেম চিরকালীন। খুশির মুহূর্ত হোক কিংবা মনখারাপ, মিষ্টি সমস্ত পরিস্থিতিরই সঙ্গী হতে পারে। তবে ইদানীং ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বা সুগারের জন্য অনেকেই মিষ্টি খাচ্ছেন না। বাড়ির বয়স্ক মানুষটির যদি মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তা হলে বাড়িতেই বানিয়ে দিন স্বাস্থ্যকর উপায়ে।
মাখানার ক্ষীর
প্রোটিন,ক্যালশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ মাখানা দিয়ে যদি পায়েস বানান, তা খেতে হবে একদম বাঙালি বাড়ির ক্ষীরের মতোই। তবে তা হবে আরও স্বাস্থ্যকর। এই ক্ষীর খেলে সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। এর জন্য কড়াইতে এক চামচ ঘি গরম করে এক কাপ মতো মাখানা ভাল করে রোস্ট করে নিন। এর পর চামচ দিয়ে ভাল করে মাখানাগুলি ভেঙে গুঁড়িয়ে নিন। এর সঙ্গে চার কাপের মতো দুধ মিশিয়ে ভাল করে ফোটান। ১৫-২০ মিনিট কম আঁচে ফোটালে পায়েস ঘন হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
ওট্স-আপেলের পায়েস
চাল বা চিনির বদলে ওট্স ও আপেল দিয়ে পুষ্টিকর পায়েসও রেঁধে ফেলতে পারেন। ২ কাপের মতো ফ্যাট-ফ্রি দুধ, আধ কাপ ওট্স, ১টি বড় আপেল গ্রেট করে নিন। দুধ ফুটিয়ে ঘন করে নিন। তাতে ওট্স হালকা রোস্ট করে নিয়ে দিয়ে দিন। ওট্স সেদ্ধ হয়ে গেলে অল্প দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এ বার নামিয়ে নিয়ে এতে গ্রেট করে রাখা আপেল দিয়ে দিন। আপেলের নিজস্ব মিষ্টিত্বেই এটি সুস্বাদু লাগবে। তবে চাইলে সামান্য গুড় মেশাতে পারেন।
খেজুরের পুডিং
এক কাপের মতো খেজুর ও কাঠবাদাম সামান্য গরম দুধে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এর পর ব্লেন্ডারে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। বাকি দুধ ফুটিয়ে তাতে জিলেটিন পাউডার মিশিয়ে দিন। এ বার খেজুর-কাঠবাদামের পেস্ট দুধে ঢেলে ভাল করে নাড়ুন। মিশ্রণটি বাটিতে ঢেলে ফ্রিজে ২ ঘণ্টা রেখে জমিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে।