Advertisement
E-Paper

রোজ ঘি খেয়ে ফিট করীনা, ত্বকের জৌলুসও বাড়ছে! কতটা ও কী ভাবে খান ফাঁস করলেন সইফ

ঘি ছাড়া নাকি খাবারই খান না করীনা কপূর। প্রাতরাশ থেকে রাতের খাওয়া, সবেতেই ঘি চাই তাঁর। দুই সন্তানকেও বেশি করে খাওয়ান ঘি। সত্যিই কি ঘি খেয়ে ফিট থাকা যায়? কী ভাবে ঘি খেলে ওজনও বাড়বে না?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৪৯
Kareena Kapoor’s Ghee Obsession,  Saif Ali Khan Reveals Her Diet Secrets

ঘি খেয়ে ওজন কমিয়েছেন, ত্বকের চাকচিক্যও বেড়েছে, কতটা খেলে উপকার হবে? ছবি: সংগৃহীত।

ঘিয়ের প্রেমে মজেছেন করীনা কপূর। ঘি ছাড়া খাবার মুখেই রোচে না তাঁর। প্রাতরাশ থেকে রাতের খাওয়া, সবেতেই বেশি বেশি করে ঘি চাই তাঁর। কৌতুকশিল্পী কপিল শর্মার শো-এ এসে করীনা তাঁর আশ্চর্য খাদ্যাভ্যাসের কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, ঘি খেয়েই এত ফিট তিনি। ত্বকও এত জেল্লাদার। দুই সন্তানকেও বেশি করে ঘি খাওয়ান অভিনেত্রী।

করীনা কী ভাবে এত ফিট থাকেন, এই বয়সেও তাঁর জৌলুস কী ভাবে দিন দিন বাড়ছে, সে প্রশ্নের জবাবেই নিজের ডায়েটের কথা বলেন করীনা। জানান, ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় তাঁর নেই। তাই রোজের খাবারে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রাখতেই পছন্দ করেন। ঘি হল সেই স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যা তাঁর জৌলুস ধরে রেখেছে।

তবে করীনা বিশেষ নিয়মে ঘি খান। সে রহস্য ফাঁস করেছেন স্বামী সইফ আলি খান। তিনি জানান, করীনার দিন শুরু হয় এক চামচ খাঁটি দেশি ঘি দিয়ে। দুপুরের বা রাতের খাবারে ডাল, ভাত, খিচুড়ি বা রুটির উপরেও ঘি ছড়িয়ে খান করীনা। তাঁর দুই সন্তানও তেল বা মাখনের চেয়ে ঘিয়ে রাঁধা খাবার খেতেই বেশি পছন্দ করে। এমনকি, করীনার হেঁশেলে এখন তেলের বদলে ঘিতেই রান্না হয় বেশি।

ঘি খাওয়া কেন ভাল?

ঘিয়ে শুধু স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আর প্রোটিন নয়, নানা ধরনের জরুরি ভিটামিনও থাকে। যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। এই সমস্ত ভিটামিন ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখার পাশাপাশি চোখও ভাল রাখে। শরীরে ক্যালশিয়ামের মাত্রাও বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

অনেকেই ভাবেন ঘি মেশানো খাবার মানেই তা অস্বাস্থ্যকর। সেটি কিন্তু একেবারেই নয়। বরং পুষ্টিবিদেরা বলছেন, ঘিয়ে রয়েছে মিডিয়াম চেন ট্রাইগ্লিসারাইড যা শরীর সহজেই গ্রহণ করতে পারে। তাই ঘি সহজপাচ্য। অন্যান্য ফ্যাট বা চর্বির মতো ঘি খেলে মেদ জমে না। ঘি সহজেই হজম হয়ে যায় ও শরীরে শক্তি তৈরি করে। তাই তেল বা মাখনের বদলে ঘি দিয়ে রান্না করা খাবার খেলেও উপকার হয় বেশি।

ঘি কতটা খেলে ওজন বাড়বে না?

এক চামচ ঘিয়ের মধ্যে থাকা ১৫ গ্রাম ফ্যাটের মধ্যে ৯ গ্রাম স্যাচুরেটেড, তাই অঙ্কের হিসাব অনুযায়ী, দিনে দু’চামচ ঘি খাওয়া যেতেই পারে। তবে তার বেশি নয়। এক চামচ ঘি থেকে যে ৪৫ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল পাওয়া যায়, তা-ও শরীরের দৈনিক চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ। ফলে ঘি মানেই যে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক, এমন ভাবার কোনও কারণই নেই। ঘি-তে আছে কনজুগেটেড লিনোলেইক অ্যাসিড। ডায়াবিটিস ঠেকানোর পাশাপাশি ওজন কম রাখতেও সাহায্য করে এই অ্যাসিড। রান্নার সময়ে ঘিয়ে থাকা ভিটামিনগুলি, যেমন ভিটামিন এ, ডি, ই, কে খাবারে মিশে যায়। ফলে খাবারের পুষ্টিগুণও বাড়ে। তবে শরীর বুঝে ঘি পরিমিত মাত্রাতে খাওয়াই জরুরি।

Kareena Kapoor Khan Ghee

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy