বর্ষায় সর্দি-কাশি, জ্বর, পেটের রোগ লেগেই থাকে। মেঘলা দিনে মন যতই ফুরফুরে থাকুক না-কেন, নানা সংক্রামক অসুখবিসুখের ভয়ও থাকে। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে তাই খাওয়াদাওয়ায় বিশেষ নজর দিতে বলেন চিকিৎসকেরা। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করবে এমন খাবারই পাতে রাখতে হবে। সে দিক থেকে তিল খুবই উপকারী।
তিলে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক, আয়রন, ফসফরাস, ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে যা পুষ্টির ঘাটতি মেটায়। তিল প্রোটিন ও ফাইবারের উৎস। যাঁরা প্রোটিন ডায়েট করে ওজন কমানোর চেষ্টায় রয়েছেন, তাঁদের জন্যও উপকারী তিল। তিলে থাকা ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে নানা অসুখবিসুখ থেকে সুরক্ষাও দিতে পারে। তিল খেতে হলে দোকান থেকে কেনা মিষ্টি নয়, বরং বাড়িতেই তিল দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন নানা স্বাস্থ্যকর খাবার।
তিলের বরফি
১ কাপের মতো সাদা তিল ভেজে গুঁড়ো করে নিন। প্যানে সামান্য চিনি বা গুড় ও জল দিয়ে সিরা তৈরি করে রাখুন। তাতে খোয়া ক্ষীর, তিলের গুঁড়ো ও সামান্য এলাচগুঁড়ো দিয়ে ভাল করে নাড়ুন। মিশ্রণটি জমাট বাঁধলে নামিয়ে নিন। একটি থালায় ঘি মাখিয়ে তাতে মিশ্রণটি রাখুন ও ঠান্ডা হলে চৌকো আকারে কেটে নিন।
আরও পড়ুন:
তিল ও খেজুরের লাড্ডু
তিল হালকা ভেজে নিন। এক কাপ বীজ ছাড়ানো খেজুর ছোট ছোট করে কেটে নিন। মিক্সিতে খেজুর ও ভাজা তিল একসঙ্গে নিয়ে হালকা করে ব্লেন্ড করে নিন। এই মিশ্রণের সঙ্গে বাদামকুচি ও নানা রকম ড্রাইফ্রুটস মেশাতে পারেন। তার পর হাত দিয়ে চেপে গোল গোল লাড্ডুর মতো গড়ে নিন। চিনি ছাড়া এই তিলের লাড্ডু ডায়াবিটিসের রোগীদের জন্যও খুব উপকারী।
তিল-পনিরের টিক্কা
সন্ধ্যার স্ন্যাক্সের জন্য এটি বানাতে পারেন। পনির চৌকো করে কেটে নিন। এ বার টকদই, আদা-রসুনবাটা, ধনে ও জিরেগুঁড়ো মাখিয়ে পনিরের টুকরোগুলিকে আধঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। এর পর সেগুলির উপর সাদা তিল ছড়িয়ে নিন ভাল করে। প্যানে সামান্য তেল দিয়ে পনিরের টুকরোগুলিকে লালচে করে ভেজে নিন।