সুঠাম ও নির্মেদ চেহারা পেতে স্টোয়াট করার পরামর্শ দেন অনেক ফিটনেস প্রশিক্ষকই। বিশেষ করে যাঁদের ঊরু, তলপেট ও নিতম্বে বেশি মেদ জমে যায়, তাঁদের জন্য স্কোয়াট খুবই কার্যকরী ব্যায়াম। চল্লিশ পেরিয়েও যদি নির্মেদ ও তরতাজা শরীর ধরে রাখতে হ।, তা হলে স্কোয়াটের কোনও বিকল্প নেই। তা ছাড়া দীর্ঘ ক্ষণ বসে থেকে কাজ করেন যাঁরা, তাঁরাও স্ট্রেচিংয়ের জন্যও স্কোয়াট করতে পারেন। এতে পায়ে ও কোমরে ব্যথা হবে না।
স্কোয়াট কী ভাবে অভ্যাস করবেন?
যে কোনও ব্যায়ামই শরীর বুঝে ও সময় ধরে করা উচিত। দ্রুত ওজন কমাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম করে গেলে শরীরের ক্ষতি হবে। পেশির শক্তি বাড়ার বদলে কমবে ও পেশিতে টান ধরার সমস্যা বাড়বে। যিনি প্রথম স্ট্রেচিং করছেন, তাঁর জন্য নিয়ম হবে এক রকম আবার যিনি অনেক বছর ধরেই শরীরচর্চায় অভ্যস্ত, তাঁর জন্য নিয়ম আলাদা। স্কোয়াট খুবই নিরাপদ ব্যায়াম।
আরও পড়ুন:
বেসিক স্কোয়াট
চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ও পিঠ সোজা রেখে দাঁড়ানোকেই স্কোয়াট বলে। এই সময় হাত দু’টো সামনের দিকে টানটান করে ছড়িয়ে দিতে হয়। তবে স্কোয়াটের অনেক ধরন আছে। এটি হল বেসিক স্কোয়াট। এটি দিনে ৩ সেট করে ১২-১৫ বার করলেই ভাল।
হোল্ডিং স্কোয়াট
চেয়ার, টেবিল বা শক্ত কোনও অবলম্বন ধরে দাঁড়ান। এ বার সেই অবলম্বনটি ধরে রেখে ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করে নীচে নামুন। হাত দিয়ে ধরে থাকায় পড়ে যাওয়ার ভয় নেই এবং কোমরের উপর চাপ কম পড়বে। এই ব্যায়ামটি করলে হাঁটুর ব্যথা কমে যাবে।
সুমো স্কোয়াট
বেসিক স্কোয়াটের চেয়ে দুই পায়ের মাঝে ব্যবধান একটু বেশি রাখতে হবে। পায়ের পাতা দু'টি বাইরের দিকে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে ঘুরিয়ে রাখতে হবে। এ বার পিঠ সোজা রেখে ধীরে ধীরে নীচে নামুন। বসার মতো ভঙ্গি করে আবার উঠে দাঁড়ান।