এখনকার দিনের অন্যতম বড় সমস্যা হৃদ্রোগ। যদি হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হয়, তা হলে সবচেয়ে প্রথমে নজর দিতে হবে রোজের শরীরচর্চা এবং ডায়েটের দিকে। সবই শুরু করতে হবে যত শীঘ্র সম্ভব। ছাড়তে হবে ধূমপান ও অ্যালকোহলের নেশা। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে কোলেস্টেরল, ডায়াবিটিসের মতো শত্রুকে। চিকিৎসকেরা বলেন, নিয়ন্ত্রিত ব্যায়ামই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি। হৃদ্রোগের ঝুঁকি যদি কমাতে হয়, তা হলে ব্যায়ামের অন্য কোনও বিকল্প নেই। তবে সব ব্যায়াম নয়, নির্দিষ্ট কিছু যোগাসন অভ্যাসেই তা সম্ভব হবে। অনুভিত্তাসন যোগাসনের এমন এক পদ্ধতি, যা অভ্যাসে হার্ট, ফুসফুস ভাল থাকবে। একাধারে হাঁপানির কষ্ট কমবে, অন্য দিকে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।
কী ভাবে করবেন?
১) ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। পিঠ টানটান রেখে দুই হাত দু’পাশে রাখুন।
২) দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত করুন।
৩) ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি মাথার উপর তুলুন। দুই হাতের কব্জি সামান্য পিছনে হেলিয়ে দিন।
৪) মাথা সামান্য হেলিয়ে হাতের দিকে তাকান।
৫) এই ভঙ্গিমায় পিছনের দিকে শরীর যতটা হেলানো সম্ভব, হেলান।
আরও পড়ুন:
৬) এই ভঙ্গিতে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকুন। তার পর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত নামিয়ে নিন।
৭) প্রতি দিন ৫-৭টি সেটে অভ্যাস করুন।
উপকারিতা:
আসনটি রোজ অভ্যাস করলে হার্ট ভাল থাকবে।
শরীরের কুঁজো ভাব চলে যায়।
শ্বাসপ্রশ্বাসের হার বাড়বে, ফুসফুসের পেশির জোর বাড়বে।
নিয়মিত অভ্যাসে হাঁপানির টান কমবে, সিওপিডির রোগীরাও করতে পারেন এই আসন।
শরীরের ঊর্ধ্বাংশের স্ট্রেচিং হবে এই আসন অভ্যাসে, এতে পেশির জড়তা কেটে যাবে।
সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে, মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়বে।
কারা করবেন না?
রক্তচাপের সমস্যা থাকলে আসনটি করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ভার্টিগোর সমস্যা থাকলে আসনটি করবেন না।