সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী-সহ অন্য গ্রহগুলি অবিরাম গতিতে নিজ কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে চন্দ্র। প্রদক্ষিণরত অবস্থায় চন্দ্র যখন সূর্যের কাছে চলে আসে (০ ডিগ্রিতে) তখনই হয় অমাবস্যা। তন্ত্রশাস্ত্র মতে, প্রত্যেক অমাবস্যার বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ভাদ্র মাসের অমাবস্যা কৌশিয়ং (কৌশিকী) অমাবস্যা হিসেবে পরিচিত।
আরও পড়ুন:
পুরাণমতে, অশুভ শক্তি বিনাশের তিথি হল কৌশিকী অমাবস্যা। ভগবান ব্রহ্মার বর প্রাপ্তির পর শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারে ত্রিলোক অশান্ত এবং অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। সেই অত্যাচারে অতিষ্ঠ এবং ভীত হয়ে দেবতাগণ অশুভ শক্তির বিনাশ এবং ত্রিলোকে শান্তি স্থাপনের উদ্দেশে দেবী পার্বতীর শরণাপন্ন হন। দেবী পার্বতী অশুভ শক্তি বিনাশের উদ্দেশে নিজের দেহকোষ থেকে সৃষ্টি করেন ভয়ঙ্কর এক দেবীকে। তিনিই দেবী কৌশিকী নামে পরিচিত। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার কৌশিকী অমাবস্যা।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে–
অমাবস্যা তিথি আরম্ভ–
বাংলা– ২৪ ভাদ্র, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার।
সময়– সকাল ১০টা ৩৫ মিনিট।
২৪ ভাদ্র, ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অমাবস্যার নিশিপালন।
অমাবস্যা তিথি শেষ–
বাংলা– ২৫ ভাদ্র, শুক্রবার।
ইংরেজি– ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।
সময়– সকাল ৮টা ৫৭ মিনিট।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে–
অমাবস্যা তিথি আরম্ভ–
বাংলা– ২৩ ভাদ্র, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার।
সময়– সকাল ১০টা ৯ মিনিট ১৩ সেকেন্ড।
২৩ ভাদ্র, ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অমাবস্যার নিশিপালন।
আরও পড়ুন:
অমাবস্যা তিথি শেষ–
বাংলা– ২৪ ভাদ্র, শুক্রবার।
ইংরেজি– ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।
সময়– সকাল ৮টা ৪৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ড।