নিজকক্ষে ঘুরতে ঘুরতে চন্দ্র যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যবর্তী অংশে চলে এসে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পড়তে বাধা দেয় বা ছায়া সৃষ্টি করে, তখনই ঘটে সূর্যগ্রহণ। সূর্যগ্রহণ অমাবস্যা তিথিতে সংগঠিত হয়। চন্দ্রের কক্ষপথ ৫ ডিগ্রি বাঁকা হওয়ার কারণে প্রতি অমাবস্যায় সূর্যগ্রহণ সংগঠিত হয় না।
সূর্য পৃথিবী এবং চন্দ্রের কৌণিক দূরত্ব অনুসারে সাধারণত ৩ ধরনের সূর্যগ্রহণ সংগঠিত হয়। কখনও পূর্ণগ্রাস, কখনও খণ্ডগ্রাস, কখনও বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে।
আরও পড়ুন:
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ– চন্দ্র যখন নিজের কক্ষপথে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে, সেই অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য চন্দ্র সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে দিতে সক্ষম হয়। এই সময় সংগঠিত হয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।
আংশিক বা খণ্ডগ্রাস সূর্যগ্রহণ- চন্দ্র যখন নিজের কক্ষপথে সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে এমন অবস্থায় অবস্থান করে যাতে সূর্যের কিছু অংশ আড়ালে থাকে, সংগঠিত হয় খণ্ডগ্রাস সূর্যগ্রহণ।
আরও পড়ুন:
বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ- চন্দ্র যখন নিজের কক্ষপথে পৃথিবীর সর্বাধিক দূরত্বে অবস্থান করে এমত অবস্থায় সূর্যের মধ্য অংশ ঢেকে দিতে সক্ষম হলেও সম্পূর্ণ ঢেকে দিতে সক্ষম হয় না, সূর্যের বাইরের অংশ বলয় (রিং) আকারে দেখা যায়। সংগঠিত হয় বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ।
আগামী ১২ অগস্ট, বুধবার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। যদিও ভারতবর্ষে এই গ্রহণ অদৃশ্য। গ্রহণ দেখা যাবে পশ্চিম ইউরোপ, পশ্চিম আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, গ্রিনল্যান্ড, আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগর থেকে।
আরও পড়ুন:
ভারতীয় সময় অনুযায়ী-
গ্রহণ স্পর্শ: রাত ৯টা ৪ মিনিট।
পূর্ণগ্রাস আরম্ভ: রাত ১০টা ৩০ মিনিট।
গ্রহণ মধ্যরাত: ১১টা ১৭ মিনিট।
পূর্ণগ্রাস সমাপ্তি: রাত ১২টা ২ মিনিট।
গ্রহণ মোক্ষ: রাত ১টা ৩৮ মিনিট।