পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দেওয়ার বার্তা দিয়ে শুক্রবার রাতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তা নিয়ে ফের কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার রাতে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে দীপকে অভিযোগ করেন যে, ছাত্রবিক্ষোভের সময় ১২ বছরের প্রতিবাদীকেও মারধর করেছে পুলিশ। তাঁর আরও অভিযোগ যে, মহিলাদের গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছে। এই সূত্রেই ভিডিয়ো পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তুলেছেন তিনি।
ভিডিয়োবার্তায় দীপকে বলেন, “গত কাল আমরা দেখলাম মোদীজি বলছেন, তিনি ছোটদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। আমার ধারণা উনি আজ আরও একটি ভিডিয়ো পোস্ট করবেন। সেখানে তিনি গত ২০ জুলাই (এই দিনেই সিজেপি-র সংসদ অভিযান হয়েছিল) লাঠিচার্জ করার জন্য ক্ষমা চাইবেন।” একই সঙ্গে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা বলেন, “১২ বছরের শিশুর মাথায় মেরেছে পুলিশ। মেয়েদের কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁদের গোপনাঙ্গেও আঘাত করেছে পুলিশ। তাই আমি চাই, মোদী পুলিশি নিপীড়নের সম্মুখীন হওয়া এই মহিলাদের কাছে ক্ষমা চান।”
নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে দিল্লি-সহ দেশ জুড়ে বিক্ষোভের আবহে এক সপ্তাহে পাঁচ বার সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো প্রকাশ করেছেন মোদী। সেখানে পড়ুয়াদের বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। শুক্রবার রাতে তেমনই এক রিল পোস্ট করে মোদী জানান, বিক্ষোভের সময় যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে অপমানজনক কথাবার্তা বলেছেন, তাঁদের তিনি ক্ষমা করছেন। মোদীর ওই ভিডিয়োবার্তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তোপ দেগেছিলেন দীপকে। তিনি বলেন, “শুধু কি রিলেই ক্ষমা করবেন, না কি মামলাও প্রত্যাহার করবেন!”
মামলা প্রত্যাহার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ককরোচদের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়েছে। সেই রায়কে তুলে ধরে কেন্দ্র জানিয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে অপরাধের মামলা ছিল, তাঁদের ছাড় নয়। সিজেপি তা মানতে নারাজ। তারা জানিয়েছে, প্রয়োজনে আবার আন্দোলন শুরু করবে। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রীকে আরও এক বার কটাক্ষ করলেন দীপকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
- ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
-
ককরোচ সমর্থককে মারধরে অভিযুক্ত স্বতন্ত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ, পাঠানো হল জেল হেফাজতে
-
‘হাতজোড় করে আন্দোলনে ইতি টানতে চেয়েছিলেন’, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচদের’ ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ওয়াংচুকের
-
ককরোচদের সংসদ অভিযানের দিন ছর্রা গুলিতে জখম হন অন্তত ১০ জন! আরটিআই-এর জবাবে বলল দুই হাসপাতাল
-
‘অনশন ভাঙার ছবি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন মন্ত্রীরা!’ নড্ডার হাতে স্যুপ খাওয়ার ১৪ দিন পরে সরব হলেন ওয়াংচুক
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি! বাঁকিপুরে বিজেপির বিপর্যয়ের পরেই পটনায় ফের শুরু ককরোচ বিক্ষোভ