যন্তর মন্তর চত্বরে যাবেন না। সেখানকার জমায়েতেও শামিল হবেন না। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের একই অনুরোধ করল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)-ও। বিষয়টিকে অবশ্য অনুরোধ নয়, হুমকি হিসাবেই দেখছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী।
শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ জেএনইউ কর্তৃপক্ষের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লেখা হয়, প্রকাশ্য বিক্ষোভ নিয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আপনারা যন্তর মন্তরের জমায়েতে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
সমাজমাধ্যমেও দায়বদ্ধতার পরিচয় দিতে বলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে। হিংসাত্মক কোনও ঘটনার ক্ষেত্রে যে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে, তা-ও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রায় একই বয়ানে পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের যন্তর মন্তর এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের জীবন খুবই দামি। যন্তর মন্তরের জমায়েতে যোগ দিলে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি পড়ুয়াদের পেশাগত উন্নতির ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিবৃতি নিয়ে শুক্রবার সরব রাহুল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টটি শেয়ার করে তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, “গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য কী ভাবে আপনারা ছাত্রদের হুমকি দিতে পারেন? যখন সময় আসবে, তখন আপনাদের এর জবাব দিতে হবে। এটা মাথায় রাখবেন।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
- ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
-
ককরোচ সমর্থককে মারধরে অভিযুক্ত স্বতন্ত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ, পাঠানো হল জেল হেফাজতে
-
‘হাতজোড় করে আন্দোলনে ইতি টানতে চেয়েছিলেন’, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচদের’ ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ওয়াংচুকের
-
ককরোচদের সংসদ অভিযানের দিন ছর্রা গুলিতে জখম হন অন্তত ১০ জন! আরটিআই-এর জবাবে বলল দুই হাসপাতাল
-
‘অনশন ভাঙার ছবি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন মন্ত্রীরা!’ নড্ডার হাতে স্যুপ খাওয়ার ১৪ দিন পরে সরব হলেন ওয়াংচুক
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি! বাঁকিপুরে বিজেপির বিপর্যয়ের পরেই পটনায় ফের শুরু ককরোচ বিক্ষোভ