ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট-ইউজি) ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় গঠিত ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে প্রথম শুনানির দিনই গরহাজির রইলেন তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আইনজীবী! ফলে আগামী ৩ অগস্ট পর্যন্ত শুনানি স্থগিত হয়ে গেল।
সোমবার ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের বিচারক অনু গ্রোভার বালিগার এজলাসে ধৃত দুই অভিযুক্ত বিকাশ বিওয়াল ও দিনেশ বিওয়ালের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। কিন্তু সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সিবিআইয়ের পক্ষে কোনও সরকারি আইনজীবী উপস্থিত না হওয়ায় গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত শুনানি মুলতুবি করে দেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে আদালত ‘ডিরেক্টর অফ প্রসিকিউশন’কে দ্রুত এক জন বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে।
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলনের আবহে গত ২৩ জুলাই সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৬ সালের নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে ‘ফাস্ট-ট্র্যাক অদালত’ গঠন করা হবে। ঘটনাচক্রে, সে দিন দুপুরেই সিবিআই ২০২৪ সালের নিট প্রশ্নফাঁসের মামলার প্রধান অভিযুক্ত সঞ্জীব মুখিয়াকে ‘ক্লিন চিট’ দিয়ে আদালতকে জানিয়েছিল, তাঁর বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র চুরি বা বিক্রি করার প্রমাণ মেলেনি। যদিও বিহার পুলিশ প্রথমে মুখিয়াকেই অভিযুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এ বার ২০২৬ সালের নিট-কাণ্ডে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতেই হাজির হলেন না সিবিআই-এর আইনজীবী!
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের নিট প্রশ্নফাঁস মামলায় গত মে মাসে সিবিআই-কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত চার্জশিট দায়ের করা হয়নি। ঘটনাচক্রে, সোমবারেই পরীক্ষায় দুর্নীতি রুখতে লোকসভায় ‘পাবলিক এগ্জ়ামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ পেশ করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। ওই সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দোষীদের ১০ বছরের কারাদণ্ড হবে, সেই সঙ্গে করা হবে ১০ কোটি টাকা জরিমানা। যদিও বিরোধীদের মতে, আইন সংশোধন করে প্রশ্নফাঁস আটকানো সম্ভব নয়, সরাতে হবে দুর্নীতিগ্রস্তদের।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
- ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
-
ককরোচ সমর্থককে মারধরে অভিযুক্ত স্বতন্ত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ, পাঠানো হল জেল হেফাজতে
-
‘হাতজোড় করে আন্দোলনে ইতি টানতে চেয়েছিলেন’, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচদের’ ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ওয়াংচুকের
-
ককরোচদের সংসদ অভিযানের দিন ছর্রা গুলিতে জখম হন অন্তত ১০ জন! আরটিআই-এর জবাবে বলল দুই হাসপাতাল
-
‘অনশন ভাঙার ছবি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন মন্ত্রীরা!’ নড্ডার হাতে স্যুপ খাওয়ার ১৪ দিন পরে সরব হলেন ওয়াংচুক
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি! বাঁকিপুরে বিজেপির বিপর্যয়ের পরেই পটনায় ফের শুরু ককরোচ বিক্ষোভ