E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

অমিতের বিবৃতির দাবিতে অনড় থাকবেন বিরোধীরা

এখনও পর্যন্ত সরকারের কার্যসূচিতে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (এফসিআরএ) বিলটি রাখা হয়নি। কিন্তু বিরোধীদের একাংশ বলছে, সরকার এই সপ্তাহে তা নিয়ে আসতে পারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ অগস্ট ২০২৬ ০৭:৫৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফাইল চিত্র।

সোমবার তৃতীয় সপ্তাহ শুরু হচ্ছে সংসদে চলতি বাদল অধিবেশনের। বিরোধীরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, দাবি মানা না হলে সংসদে আনা কোনও বিল নিয়ে বিতর্কে তাঁরা অংশগ্রহণ করবেন না এই সপ্তাহেও। কী সেই দাবি? বিক্ষোভকারী ছাত্রদের উপর পুলিশের পদক্ষেপের দায় নিয়ে বিবৃতি দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। পাশাপাশি, রামমন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে আগামিকালও সংসদ চত্বরে মকরদ্বারের সামনে ‘সৃজনশীল’ উপায়ে প্রতিবাদ হবে।

এখনও পর্যন্ত সরকারের কার্যসূচিতে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (এফসিআরএ) বিলটি রাখা হয়নি। কিন্তু বিরোধীদের একাংশ বলছে, সরকার এই সপ্তাহে তা নিয়ে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোনও আলোচনাতেই অংশ না নেওয়ার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মতৈক্য রয়েছে ইন্ডিয়া শিবিরের দলগুলির। তৃণমূল নেতৃত্ব জানাচ্ছে, ডিএমকে এবং আপও বিরোধীদের অবস্থানের সঙ্গে সহমত। বিলটি যেহেতু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, তাই অমিত শাহ সেটি পেশ করতে আসুন বা তাঁর প্রতিমন্ত্রীকে পাঠান— উভয় ক্ষেত্রেই হইহল্লা করে সংসদ অচল করার চেষ্টা করবেন বিরোধীরা। অধিবেশন কক্ষে অমিত শাহ এলে তাঁর বিবৃতির দাবিতে শোরগোল করবেন তাঁরা। অমিত যদি না এসে তাঁর প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেন, তখন আওয়াজ তোলা হবে যে তিনি ‘ভয় পেয়েছেন’।

যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, অমিত শাহের অধিবেশন এড়িয়ে যাওয়া দেখে মনে হচ্ছে যে, বিরোধীরা নয়, সরকার পক্ষই চায় না সংসদ চলুক। আজ তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছেন, “আর ১০ দিন বাকি রয়েছে অধিবেশনের। আসলে সরকারই চায় না সংসদ চলুক। অমিত শাহ পুণেতে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের প্রশংসা করতে পারেন আর সংসদে নিজের ঘর থেকে দু’পা ফেলে লোকসভা বা রাজ্যসভায় আসতে পারেন না?”

সংক্ষেপে
  • দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
  • ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
  • ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
NEET

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy