তাঁর সৌন্দর্যে আছে স্নিগ্ধতা, আছে লাবণ্য। বয়স বাড়লেও ‘রহনা হ্যায় তেরে দিল মেঁ’র নায়িকার হাসি, প্রাণচাঞ্চল্য হারিয়ে যায়নি। বরং বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ত্বকের দীপ্তি।
৪০-এর পরে যেখানে বহু মহিলা নানা রকম অসুখে জর্জরিত হয়ে পড়েন, ব্যথাবেদনায় কাতর হন, সেখানে অভিনেত্রীরা কী করে নিজেদের রূপ, স্বাস্থ্য ধরে রাখেন, এ প্রশ্ন অনেকেরই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন প্রাক্তন ‘মিস ইন্ডিয়া’ দিয়া মির্জ়া। ফিট এবং একই সঙ্গে সুন্দর থাকতে ডায়েটেই জোর দেন অভিনেত্রী। ত্বক টানটান রাখতে রকমারি থেরাপি নয়, বরং পর্যাপ্ত জল পান এবং পুষ্টিকর খাবারই ঠাঁই পায় তাঁর খাদ্যতালিকায়।
আরও পড়ুন:
কী খান দিয়া
কোনও বিশেষ খাবার নয়, বরং টাটকা ফল, সব্জিই থাকে অভিনেত্রীর দৈনন্দিন ডায়েটে। খাওয়ার নিয়মকানুনে তিনি ভীষণ কড়া। খান পরিমিত। অভিনেত্রীর কথায়, ত্বকের জেল্লা ধরে রাখতে হলে জল খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি, প্রয়োজন নিয়মানুবর্তিতা। দুটোই কঠোর ভাবে মেনে চলেন দিয়া।
ধ্যান, শারীরচর্চা, ঘুমের সঙ্গে আপস নয়
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়ম করে ধ্যান, শারীরচর্চার অভ্যাসও দিয়ার দৈনন্দিন জীবনযাপনের অঙ্গ। ঘুমের বিষয়টিও প্রাধান্য পায় দিয়ার জীবনে। সুস্থ এবং সুন্দর থাকতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি বলেই মানেন ‘অপারেশন সফেদ সাগর’-এর অভিনেত্রী। স্বাস্থ্য মানে শুধু শরীর নয়, মানসিক ভাবে ভাল থাকাও জরুরি বলে মনে করেন দিয়া।
সাধারণ রূপচর্চা
রকমারি প্রসাধনীর ব্যবহার নয়, বরং রূপচর্চার প্রাথমিক ধাপগুলি মেনে চলেন তিনি। দিয়ার কথায়, ‘‘আমি দীর্ঘ রূপচর্চার পন্থায় আস্থা রাখি না। যেটুকু প্রয়োজন, সেটুকুই করি।’’ অভিনেত্রী ক্লিনজ়িং করেন নিয়ম মেনে। অভিনয়ের কারণে চড়া মেকআপ করতে হয়। নিয়ম করে সেই মেকআপ তুলতে ভোলেন না তিনি। ঘুমোনোর আগে ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজ়িং-ই তাঁর ত্বককে সুন্দর রাখে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘আমার ত্বক অত্যন্ত স্পর্শকাতর। রাসায়নিকমুক্ত, সুগন্ধি এবং সালফেটবিহীন প্রাকৃতিক উপাদানের প্রসাধনী আমি বেছে নিই।’’
অভিনেত্রী মনে করেন না, রূপচর্চা আর নানা রকম থেরাপি করলেই ত্বকের জেল্লা অটুট থাকে। বরং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, পুষ্টিকর খাবার, নিয়ামানুবর্তিতাই তাঁর কাছে সুস্থ এবং সুন্দর থাকার চাবিকাঠি।