অতিরিক্ত আর্দ্রতা আর দূষণে চুল রুক্ষ এবং নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। এই সময়ে বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্পের কারণে চুল তৈলাক্ত হয় এবং মাথার ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণও হতে দেখা যায়। তালুতে ছোট ছোট ফুস্কুড়ি বা র্যাশ হয় অনেকের। চুল পড়ার সমস্যাও বাড়ে। তাই এই সময়ে চুলের যত্ন নিতে হবে বিশেষ উপায়ে।
টি ট্রি ও লেমনগ্রাস অয়েল
মাথা অতিরিক্ত ঘামলে চুল খুব সহজেই চিটচিটে হয়ে যায়, মাথায় দুর্গন্ধও হয়। এ ক্ষেত্রে টি-ট্রি অয়েল ও লেমনগ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল উপযোগী হতে পারে। ২ চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ৩ ফোঁটা টি-ট্রি অয়েল এবং ২ ফোঁটা লেমনগ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল খুব ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে চুল ও মাথার ত্বকে মালিশ করতে হবে। ৪৫ মিনিটের মতো রেখে ঠান্ডা জলে চুল ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করলেই উপকার হবে।
আরও পড়ুন:
কলা-মধুর প্যাক
একটি পাকা কলা নিন। তার সঙ্গে নিন এক চামচ মধু ও পাতিলেবুর রস। এগুলি মিশিয়ে যে মিশ্রণটি তৈরি হবে তা মাথার ত্বক ও চুলের গোড়াতে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। এর পর একটি কাপে অল্প অ্যালো ভেরার রস নিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর আবার ভাল করে ধুয়ে নিন শ্যাম্পু দিয়ে।
রোজ়মেরি ও পেপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল
চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা দূর করে এই দুই এসেনশিয়াল অয়েল। ২ চামচ খাঁটি নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে ৩ ফোঁটা রোজ়মেরি অয়েল এবং ২ ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল ভাল করে মিশিয়ে পুরো মাথায় মালিশ করতে হবে। পেপারমিন্ট অয়েলের কারণে মাথায় ঠান্ডা অনুভূতি হবে যা গরমে আরাম দেবে। এই দুই তেলের মিশ্রণ চুল পড়ার সমস্যাও কমাবে।