দামি আসবাব, আধুনিক আলোকসজ্জা আর শৌখিন গালিচা থাকলেই বাড়ি সুন্দর হয়ে ওঠে না। ঘরদোর পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জায়গার জিনিস জায়গায় রাখাটাও জরুরি।
অল্প আসবাবেও ঘরদোর সাজিয়ে তোলা যায়। বরং ঘরের আনাচকানাচ পরিচ্ছন্ন থাকলে, অন্দরসাজে পারিপাট্য থাকলে, তবেই সেখানে দু-দণ্ড বসতে ইচ্ছা করে। শোয়ার ঘরে বিছানা পরিষ্কার করাটা প্রায় প্রতি বাড়িতেই নিত্য রুটিনে পড়ে। কিন্তু তাতে পুরো ঘরের পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে না। ব্যস্ত জীবনে নিয়ম করে আনাচকানাচ পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। সপ্তাহে আধ ঘণ্টা সময় বার করে নিন। কৌশল জানলে, প্রতিদিনই শোয়ার ঘর দেখাবে পরিপাটি। থাকবে পরিচ্ছন্ন।
১। বিছানার চাদর প্রতিদিন ঝেড়ে পরিষ্কার করা হয়, কিন্তু এক সপ্তাহ অন্তর কাচা চাদর পাতাও জরুরি। সপ্তাহে একদিন বালিশের কভার, বিছানার চাদর সমস্ত কিছু তুলে ভাল করে কেচে নিন। বিছানার গদিটিও ভাল করে ঝেড়ে নিতে হবে। অ্যাজ়মা বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। যন্ত্রটি ধুলোময়লা টেনে নেয় বলে ওড়ে কম। অ্যালার্জির ঝুঁকি কমে।
২। শোয়ার ঘরে ড্রেসিংটেবিল থাকলে, উপরে রাখা সমস্ত প্রসাধনী একটি বাক্সে ভরে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করে নিন। মেকআপ স্পঞ্জ, ব্রাশ সাবান জল দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন। খাটের পাশে থাকা টেবিল ল্যাম্প, টেবিলে রাখা যাবতীয় জিনিস কাপড় দিয়ে মুছে নিন। এতে ধুলোর স্তর জমতে পারবে না। টেবিলে সুন্দর ট্রে রেখে টুকটাকি জিনিসগুলি সাজিয়ে রাখতে পারেন।
৩। নিয়মিত ঘর মোছা হলেও খাটের পাশ, টেবিলের নীচের অংশ, ঘরের কোনা বাদ পড়েই যায়। একটি দিন খুব ভাল করে মেঝের প্রতিটি অংশ আসবাব সরিয়ে পরিষ্কার করে নিন। ঝুল ঝেড়ে ফেলুন।
৪। শোয়ার ঘরের টেবিলে রাখা বোতল, জলের গ্লাসগুলি নিয়মিত মাজা হয় না অনেক সময়ে। সেগুলি মেজে গরম জলে ধুয়ে শুকিয়ে যথাস্থানে রেখে দিন।
৫। প্রতিদিন একইরকম ঘর, আসবাব দেখতে একঘেয়ে লাগে। দেওয়ালসজ্জা বা অন্দরসজ্জার জিনিসগুলি একটু উল্টে-পাল্টে দিতে পারেন। কোনও নতুন জিনিস যোগ করতে পারেন, পুরনো জিনিস তুলে রাখতে পারেন। তাতে ঘর একটু অন্যরকম দেখাবে।