সাজানো যায় না। আর পাঁচ জন ভাড়াটিয়া থাকলে যেমন একটু এদিক-ওদিক হলেই বিবাদ-অশান্তির ভয়, তেমনই দেওয়ালে পেরেক পোঁতা থেকে রং করা— এমন নানা বিষয়েও অনেক বিধিনিষেধও থাকে।
তবে নিয়ম যতই থাক, তার ফাঁকও আছে। বাড়ি ভাড়াই হোক বা নিজের, যেখানে যখন রয়েছেন, সেই স্থানটিকে নিজের বাসস্থান মনে করে দুর্গোৎসবের আগেই ছিমছাম সজ্জায় বদলে ফেলুন অন্দরমহল।
ঘরদোর গুছিয়ে রাখুন: অগোছালো ঘর দেখতে মোটেই ভাল লাগে না। প্রথমেই জায়গার জিনিস জায়গায় রাখুন। বাড়তি জিনিস আড়ালে সরিয়ে দিন। ঘর আলোকিত থাকলে দেখতে ভাল লাগে। তাই সুতির কাপড়ের হালকা রঙের কোনও পর্দা ঝুলিয়ে দিন। পর্দা ভেদ করে বাইরের আলো-হাওয়া ঘরে ঢুকলে, ঘর বড় দেখাবে। বিছানায় সাদা বা হালকা রঙের কোনও চাদর পাতলেও ঘর আলোকময় দেখাবে।
আলোর ব্যবহার: উৎসবের ছোঁয়া আনতে ঘরে থাক আলো। ভাড়াবাড়িতে পেরেক পোঁতায় আপত্তি থাকে। বারান্দার রেলিংয়ে টুনি আলোর চেন লাগিয়ে দিতে পারেন। বারান্দা কিংবা জানলায় দড়ি টাঙিয়ে সেখানেও রকমারি আলোর চেন কায়দা করে লাগিয়ে দিতে পারেন। তবে সেইসব উৎসবের একেবারে মুখের জন্য। এমনি সময়ে বসার জায়গায় বড়সড় কোনও সুন্দর টেবিল ল্যাম্প রাখতে পারেন। কিংবা মেঝেতে বসানো যায় লম্বা স্ট্যান্ডের ল্যাম্প। তাতেও ঘরে অন্য মাত্রা যোগ হবে।
দেওয়ালের খুঁত ঢাকুন কৌশলে: ভাড়া বাড়ির দেওয়ালে অনেক সময়ে রং চটে যায়। কোনও কোনও বাড়ির দেওয়ালে নোনাও ধরে। সেগুলি আড়াল করার ভাল উপায় হল কাপড়ের তৈরি দেওয়াল সজ্জা। ছোট দু’টি হুকে দড়ি লাগিয়ে তার উপর দিয়েই কাপড়ের টুকরোটি ঝুলিয়ে দিতে পারেন। এতে দেওয়ালের রংচটা অংশ আড়ালও হবে, দেখতেও ভাল লাগবে।
গাছগাছালি: ঘরের ভিতরে সবুজের ছোঁয়া ক্লান্তি দূর করে। অন্দরসজ্জার উপযোগী এমন কয়েকটি গাছ কিনে টেবিলে, জানলার কাছে যে অংশে রোদ আসে, সেই স্থানে সাজিয়ে রাখতে পারেন।
পুজোর স্থান: ভাড়াবাড়িতে আলাদা ঠাকুরঘর নেই। ঘরের মধ্যেই জায়গা করে নিয়ে কাঠের বা পাথরের ছোট একটি সিংহাসন কিনে সেখানে ঠাকুর রাখুন। দেখতে ভাল লাগবে।