অতিথি এলে আনন্দ হয়, হইচই হয়। কিন্তু সেই অতিথি যদি হয় অবাঞ্ছিত, আর তারা যদি বাড়িতে জাঁকিয়ে বসে! তখন তাদের ‘বিদায়’ করার কৌশল ভাবতে হয় বুদ্ধি করে। আর সেটি কী ভাবে করা যায়, কৌশল শিখিয়ে দিলেন অভিনেত্রী টুইঙ্কল খন্না।
জুহুর বিলাসবহুল বাংলোয় থাকেন অক্ষয় কুমার এবং তাঁর স্ত্রী টুইঙ্কল। শুনলে কেউ অবাক হতেই পারেন, এমন বাংলোর হেঁশেলেও ঘাপটি মেরে থাকে আরশোলা, পিঁপড়ে। আর তা নিয়েই জেরবার অক্ষয়ের গিন্নি। তাঁর কাছে এরাই রাতের অবাঞ্ছিত অতিথি। কারণ, রান্নাঘরের আলো বন্ধ করলেই অন্ধকারে বেরিয়ে আসে এদিক-ওদিক সেঁধিয়ে থাকা আরশোলা। তারকা হলেও, কী ভাবে ঘর সামলাতে হয় তা ভাবতেই হয় গৃহকর্ত্রীকে। তাই বিশেষ স্প্রে ব্যবহার করেন তিনি। রাসায়নিক নয়, টুইঙ্কল তা বানান বাড়িতেই। কৌশল সহজ। কয়েকটি লবঙ্গ থেঁতো করে, ২টি তেজপাতা দিয়ে জলে ফোটাতে হবে। ঠান্ডা করে সেই জল ছেঁকে নিন। এক কাপ লবঙ্গ, তেজপাতা ফোটানো জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক কাপ সাদা ভিনিগার। মিশ্রণটি স্প্রে করতে হবে যেখানে যেখানে আরশোলা থাকতে পারে, যে জায়গায় আসতে পারে সেখানে।
আরও পড়ুন:
বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের চিকিৎসক বুন্দ্রা এম এস জানাচ্ছেন, ঘরোয়া এই ধরনের টোটকা অনেক সময়েই কাজ করে। এতে ক্ষতিকর রাসায়নিকও থাকে না। মিশ্রণে ব্যবহৃত উপকরণের গন্ধে কোনও কোনও পোকামাকড় পালিয়ে যায়। তবে এই টোটকা দিয়েই পোকামাকড় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তা ছাড়া ঘরোয়া টোটকা হলেও স্প্রে করার সময়ে সতর্কতা জরুরি। খাবারে, বাসনে তা যেন না লাগে দেখতে হবে।
রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার কৌশল
· এঁটোকাটা, খাবারের টুকরো যেন পড়ে না থাকে।
· বর্জ্য ফেলার পাত্রেও খাবার থাকলে তার সন্ধানেই হানা দেয় পোকামাকড়।
· রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। মাঝেমধ্যে হেঁশেলের প্রতিটি কোনা, জিনিসপত্র ভাল করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।