পাকা মিষ্টি পেঁপে শুধু সুস্বাদু নয়, পুষ্টিকরও। ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে পূর্ণ পেঁপে শুধু হজমে সহায়ক নয়, পেট পরিষ্কারেও সাহায্য করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, জ়িঙ্ক, পটাশিয়াম, ফোলেট-সহ একাধিক ভিটামিন এবং খনিজে পূর্ণ ফলটি উপকারী তখন, যখন তা গাছপাকা হবে।
দেখতে সুন্দর, একেবারে হলুদ। তা দেখেই পেঁপে কিনছেন? আপনি কি নিশ্চিত তা গাছপাকা? অনেক সময়ে ব্যবসার স্বার্থে বিক্রেতারা কার্বাইডের মতো রাসায়নিক দিয়ে কাঁচা ফল দ্রুত পাকিয়ে নেন। এই রাসায়নিক স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষত তা যদি ছোটদের শরীরে যায়, ক্ষতি অনিবার্য।
দিল্লি নিবাসী পুষ্টিবিদ হিমাংশি শর্মা বলছেন, উজ্জ্বল হলুদ রঙে মজলেই বিপদ! গাছপাকা পেঁপেও হলুদ হয় ঠিকই। কিন্তু তাতে মিষ্টি গন্ধ থাকে।
গন্ধই চেনাবে: রঙের ঔজ্জ্বল্যে ভুললে বিপদ। তেলা গা দেখলে অনেকেই ভেবে বসেন পেঁপেটি ভাল। আদতে তা নাও হতে পারে। দরকারে পেঁপেটি একবার শুঁকে দেখুন। প্রাকৃতিক ভাবে পাকা ফলের গন্ধ টের পাওয়া যাবে। রাসায়নিক ব্যবহার হলে, সেই গন্ধও নাকে আসবেই।
পরখ করে দেখুন: পেঁপের কোনও অংশ নরম, কোনও অংশ শক্ত ঠেকলে সতর্ক হওয়া দরকার। পেঁপের নীচের অংশ তলতলে হয়ে গেলে ধরে নিতে হবে সেটি অতিরিক্ত পাকা। পেঁপের বৃন্তের দিকটি হাত দিয়ে চেপে দেখুন। হালকা নরম বোধ হলে বুঝতে হবে ঠিকঠাক পাকা। পেঁপে অসমান ভাবে পাকলে রাসায়নিকের ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।
পেঁপের ভিতরের রং: পেঁপে কাটার পর গাঢ় কমলা রং হলে এবং বীজ পুষ্ট হলে বুঝতে হবে সেটি প্রাকৃতিক উপায়ে পক্ব। এমন পেঁপে সাধারণত মিষ্টি হয়। তবে সেটি ফ্যাকাশে হলে সাধারণত স্বাদ ভাল হয় না।
খুব বেশি উজ্জ্বল রঙে না ভুলে দেখে নিন, পেঁপেটি হালকা নরম কি না। গন্ধ মিষ্টি বেরোচ্ছে কি না।