বাড়িতে পোষ্য রাখার শখ অনেকের থাকে। তবে শখ থাকলেই হয় না, বাড়ির পরিবেশ সেই পোষ্যের উপযোগী কি না বোঝা জরুরি। প্রয়োজন পোষ্যের স্বভাব, প্রয়োজন অনুযায়ী তা সাজিয়ে নেওয়াও। যদি কুকুর পোষার শখ থাকে, তাহলে জেনে নেওয়া দরকার, নির্দিষ্ট প্রজাতির সারমেয়টি দৈর্ঘে কত বড় হবে, তার চলাফেরার জায়গা যথেষ্ট রয়েছে কি না। আবার সেই প্রজাতির কুকুরটির স্বভাবও জেনে নেওয়া জরুরি। না হলে ঘরে এনে বিপদে পড়তে হতে পারে।
১। সারমেয় শাবক বাড়িতে আনলে তার ঘোরাফেরার জন্য যথেষ্ট জায়গা থাকা প্রয়োজন। কুকুরছানারা সাধারণত চঞ্চল হয়। দৌরাত্ম্যি করে। সেই কারণে ঘরে কিছুটা ফাঁকা জায়গার ব্যবস্থা করা জরুরি।
২। দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে জিনিসপত্র ভাঙতে পারে। ভাঙা টুকরোয় নিজেই আঘাত পেতে পারে সারমেয় ছানা। তাই এই ধরনের জিনিস নাগালে বাইরে রাখতে হবে। ওষুধ, ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ, চকোলেট, গাছপালা বা এমন জিনিস যা মুখে গেলে পোষ্যের ক্ষতি হবে, সেগুলি সরিয়ে ফেলতে হবে আগেই।
বাড়ি হোক পোষ্যবান্ধব।
৩। বাড়িতে ছোট কার্পেট বা রাগ পেতে রাখুন। বিশেষত শীতের দিনে। রাগ শুধু ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, অনেকসময় পোষ্যের আরাম করার জায়গাতেও পরিণত হয়। তবে পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর রাখা দরকার। পোষ্যের লোম আটকে থাকতে পারে এতে। প্রস্রাব করলেও দুর্গন্ধ হতে পারে। নিয়ম করে সেটি পরিষ্কার করা জরুরি।
৪। পোষ্যের নিজের জায়গাও তৈরি করা জরুরি। ঘরের কোণে, বড় জানলার একপাশে সারমেয়র থাকার জন্য বা ঝিমোনোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করে দিন। সেখানে পোষ্যের উপযোগী খেলার সরঞ্জাম রাখতে পারেন। পোষ্যের বিছানাও পেতে দিতে পারেন। জায়গাটি যেন বিশ্রামের উপযোগী হয়।
৫। সোফা, টেবিলের ধারালো অংশে পোষ্যের আঘাত লাগতে পারে। এই অংশগুলি কাপড় দিয়ে সাময়িক ভাবে ঢেকে দিতে পারেন। বিশেষত সারমেয় শাবকেরা ছটফটে হয়। তা ছাড়া, দাঁত গজানোর সময় আসবাবপত্রও কামড়াতে শুরু করে তারা। এতে আসবাবও রক্ষা পাবে, পোষ্যেরও আঘাতের ভয় থাকবে না।