তাঁদের প্রেম যখন হয়েছিল, ক্যাটরিনা কইফ তখন তারকা আর ভিকি কৌশলের ঝুলিতে তখন কয়েকটি মাত্র ছবি। অভিনেতা হিসাবে ভিকি প্রশংসা পেলেও, তখন নায়িকা ক্যাটরিনা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। তার পরেও দু’জনের প্রেম হয়, বিয়েও করেন তাঁরা। বিবাহিত জীবন পাঁচ বছর ছুঁইছুঁই। ভিকি-ক্যাটরিনার কোল জুড়ে এসেছে পুত্রসন্তান বিহান।
দিকে দিকে যখন সম্পর্ক ভাঙার গুঞ্জন শোনা যায়, তখন ভিকি-ক্যাটরিনার দাম্পত্যজীবন কিন্তু সুন্দর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভিকি জানিয়েছেন, সম্পর্কের সাফল্যের চাবিকাঠি। অভিনেতা বিশ্বাস করেন সম্পর্কের প্রাথমিক শর্তই হল ভালবাসা। যা একে-অপরকে বেঁধে রাখে। প্রেম করে বিয়ে হোক বা দেখাশোনা করে— ভালবাসা ছাড়া সম্পর্ক মজবুত হতে পারে না।
ভালবাসার সঙ্গে এসে পড়ে, বোঝাপড়াও। একে অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়া। বোঝাপড়ার অভাব থাকলে দাম্পত্য ভঙ্গুর হতে পারে।
দু’জন মানুষ দু’রকম। ভাবনায়, মানসিকতায় বিস্তর ফারাক হতে পারে। কিন্তু অন্যের ভাবনাকে সম্মান করা জরুরি। মজবুত সম্পর্কের নেপথ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা থাকা জরুরি।
ভিকি যা মানেন, তা কি সত্যিই সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি হতে পারে? মুম্বইয়ের এক হাসপাতালের মনোবিদ মায়া কৃপালানী বলছেন, ‘‘দাম্পত্যের সমীকরণ কেমন হওয়া উচিত, তা অনেকটাই ব্যক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করে। তবে ভালবাসা, শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া যে কোনও সম্পর্কে থাকাটাই জরুরি।’’
দু’জন মানুষের মধ্যে ভাবনা বা আদর্শের ফারাক থাকতেই পারে।কিন্তু পরিণতমনস্ক হলে তবেই সেই সংসার এগোতে পারে। সম্পর্কের মধ্যে অহংবোধ এসে পড়লেই শুরু হয় অশান্তি। একে অন্যের ভাবনাকে সম্মান করতে পারাটা সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম শর্ত।
ভালবাসার পাশাপাশি সম্পর্কে স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা জরুরি। নির্ভরতা, একে-অন্যের থেকে আশা করা— সবই থাকবে। তবে তা যেন অবাস্তবোচিত না হয়। একে অন্যের কথা শোনা, সেই কথাকে গুরুত্ব দেওয়া খুব জরুরি।