Advertisement
E-Paper

দিনে মাত্র ২১টি মিনিট বরাদ্দ থাকুক সন্তানের জন্য! নতুন নিয়মেই নাকি দূরত্ব ঘুচবে মা-বাবার সঙ্গে

‘৭-৭-৭’ নিয়মের ধারণাটি খুবই সহজ। দিনে মাত্র ২১ মিনিট সচেতন ভাবে সন্তানের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। এর ফলে অভিভাবক এবং সন্তানের মধ্যে সম্পর্কে উষ্ণতা অনেকটাই ফিরে আসতে পারে বলে মনে করছেন মনোরোগ চিকিৎসক এবং পেশাদারেরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৬ ১১:২৬
‘৭-৭-৭’ নিয়মের অভিভাবকত্বের অর্থ কী?

‘৭-৭-৭’ নিয়মের অভিভাবকত্বের অর্থ কী? ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

একই বাড়িতে থেকেও বাবা-মা আর সন্তানের মধ্যে কথাবার্তা দিন দিন কমছে। মুখোমুখি হলে কেবল পড়াশোনা, কাজ বা সাধারণ তথ্য নিয়ে কথা হয়। নয়তো মোবাইলে মেসেজ করে তথ্য আদানপ্রদান হয়ে যায়। মোবাইল-ল্যাপটপের পর্দা আর ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও কমে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘৭-৭-৭’ নিয়ম। এই নিয়ম মেনে সন্তানপালন করলে নাকি একে অপরের কাছাকাছি আসা যায়।

‘৭-৭-৭’ নিয়মের ধারণাটি খুবই সহজ। দিনে মাত্র ২১ মিনিট সচেতন ভাবে সন্তানের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। এর ফলে সম্পর্কে উষ্ণতা অনেকটাই ফিরে আসতে পারে বলে মনে করছেন মনোরোগ চিকিৎসক এবং পেশাদারেরা। অভিভাবক এবং সন্তানের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা সহজে মুছে ফেলা যেতে পারে এই নিয়মে। কিন্তু কী ভাবে এই ২১টি মিনিট বরাদ্দ রাখবেন সন্তানের জন্য?

সন্তানের কথা শোনার সময়ে বকাঝকা না করার চেষ্টা করুন।

সন্তানের কথা শোনার সময়ে বকাঝকা না করার চেষ্টা করুন। ছবি: সংগৃহীত

এই নিয়মে দিনে তিন বেলা ৭ মিনিট করে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে—

সকাল: ঘুম থেকে উঠে বা স্কুলে যাওয়ার আগে ৭ মিনিট গল্প করা। প্রস্তুত হওয়ার জন্য প্রবল তাড়া না দিয়ে বরং প্রাতরাশের সময়ে তার সঙ্গে বসে খানিক গল্প করুন। সারা দিনে কী কী করার পরিকল্পনা রয়েছে, কী কী করতে হবে সে সব নিয়ে অল্প-বিস্তর আলোচনা করে নিন।

বিকেল: স্কুল বা বাইরে থেকে ফিরে আরও ৭ মিনিট খেলাধুলো করা। কিন্তু সমস্যা হল, এই সময়ে খুদে থেকে কিশোর-কিশোরী অত্যন্ত ক্লান্ত এবং ক্ষুধার্ত অবস্থায় বাড়ি ঢোকে। ৭ মিনিট পূরণ করতে হবে বলে তখনই একের পর এক প্রশ্ন করা উচিত নয়। বরং তাকে খানিক বিশ্রাম নিতে দিন, শরীরের দিকে নজর দিন, হালকা কিছু খেতেও দিন। তার পর ধীরে ধীরে দিনটি নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। আবার ক্লান্তি কেটে গেলে খানিক ক্ষণ বাইরে ঘোরাঘুরি করে আসতে পারেন বা খেলতেও পারেন একসঙ্গে।

রাত: ঘুমোনোর আগে সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনার জন্যও ৭ মিনিট বরাদ্দ রাখতে হবে। কথা শোনাটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গে সঙ্গে সমাধান করার চেষ্টা করা বা বকাঝকা করা অথবা সমালোচনা করা আরও বেশি দূরত্ব তৈরি করে দিতে পারে। এই সময়ে সন্তান অনেক ক্ষেত্রে বেশি মন খুলে কথা বলতে পারে। তাই সেই আবহকে নষ্ট হতে দেবেন না।

এই সময়ে মোবাইল, টেলিভিশন বা অন্য কোনও বাধা রাখবেন না। লক্ষ্য একটিই, সন্তান যেন অনুভব করে বাবা-মায়ের সম্পূর্ণ মনোযোগ সে-ই পাচ্ছে।

Parenting Tips

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy