Advertisement
E-Paper

শিঙাড়া দেখে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে হবে, ১০ সেকেন্ডের ছোট্ট পরীক্ষা কী জানান দেবে?

আপনি খাবারের ব্যপারে সংযমী? ১০ সেকেন্ডের ‘শিঙাড়া-পরীক্ষা’ বলে দেবে আপনার নিয়ন্ত্রণ কতটা?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:৩৬
The 10-Second Self-Test Every Samosa Lover Should Know Before Taking a Bite

ছবি: সংগৃহীত।

বিকালে যখন মন একটা গরম শিঙাড়ার জন্য ছটফট করছে, তখন কি সেই খাবার এড়িয়ে চলে যেতে পারবেন? ১০ সেকেন্ডের ‘শিঙাড়া-পরীক্ষা’-ই কি বলে দিতে পারে, আপনি কতটা সংযমী?

তেলঙ্গানার এক হাসপাতালে কর্মরত স্নায়ুরোগের চিকিৎসক সুধীর কুমার, সমাজমাধ্যমে ১০ সেকেন্ডের ‘শিঙাড়া পরীক্ষা’ করে দেখতে বলছেন সংযম কতটা। পরীক্ষা সহজ। শিঙাড়ার দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, শিঙাড়ার বদলে চিনি ছাড়া কালো কফি বেছে নিতে হবে। কফিতে চুমুক দিয়ে সেই দোকানের সামনে দিয়ে আসার সময় শিঙাড়ার দিকে তাকিয়ে হেসে চলে যেতে হবে। ১০ দিনের মধ্যে কেউ ৯ দিন সেই পরীক্ষায় পাশ করলে বোঝা যাবে, সেই ব্যক্তি সংযমী।

চিকিৎসকের কথায়, অস্বাস্থ্যকর লোভনীয় খাবারের লোভ সংবরণ করতে পারলে রক্তচাপ থেকে কোলেস্টেরল বশে রাখা সহজ হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, ১০ সেকেন্ডের এই কৌশল কি সত্যি কাউকে শিঙাড়া থেকে দূরে রাখতে পারবে, না কি এই পরীক্ষা প্রমাণ করতে পারে, কোনও ব্যক্তি আত্মসংযমী কি না।

দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালের পুষ্টিবিদ রিচা শর্মার পরামর্শ, শিঙাড়ার লোভ এড়াতে হলে, খাওয়ার আগে একটু থামুন। কয়েক সেকেন্ড থমকে নিজেকে প্রশ্ন করুন, সত্যি খিদে পেয়েছে, না কি তা চোখের খিদে? রিচার কথায়, এই ছোট্ট অভ্যাস শুধু শিঙাড়া নয়, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমাতে পারে।

হায়দরাবাদের একটি হাসপাতালের চিকিৎসক মনোরোগ চিকিৎসক নবীন কুমার ধাগুড়ুর মতে, ইচ্ছাশক্তির উপর ভর করে প্রতি বার লোভ সংবরণ করা সহজ নয়। কোনও মানুষ কেন কোনও খাবার বেছে নিচ্ছেন, তা কেবল আত্মনিয়ন্ত্রণের উপর নির্ভর করে না। খিদে, ক্লান্তি, সহকর্মীদের সঙ্গ, আশপাশে কোন খাবার পাওয়া যায়— এমন অনেক কিছুই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হয়তো কারও দুপুরে খাওয়া হয়নি। বাইরে বেরিয়ে দেখলেন, সহকর্মীরা চা-শিঙাড়া খাচ্ছেন, তাঁরও খাওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। এটা কিন্তু আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব নয়। খিদের মুখে সামনে যা পাওয়া যায়, সেটাই অনেকে খেয়ে নেন।

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে অন্য ভাবে ভাবা যেতে পারে। হাতের কাছে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখলে, অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়। পুষ্টিবিদ রিচা শর্মা সতর্ক করেছেন যে, কোনও খাবারকে পুরোপুরি ভাল বা সম্পূর্ণ খারাপ বলে চিহ্নিত করে দেওয়া ঠিক নয়। খাবারকে এ ভাবে দেখলে মানুষের মনে অপরাধবোধ বা মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। একটি নির্দিষ্ট খাবার এক মুহূর্তে ক্ষতিকর মনে হলেও, সার্বিক খাদ্যাভ্যাসে তা সব সময় ক্ষতিকর না-ও হতে পারে। কেউ যদি মাসে একটি বা দু’মাসে এক বার শিঙাড়া খান, তা ততটাও ক্ষতিকর নয়।

Samosa

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy