বিশ্ব ব্যাডমিন্টনের প্রথম দিনেই পুরুষ বিভাগে অঘটন। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় আয়ুষ শেট্টি ছিটকে দিলেন চিনের শি ইউ কি-কে। জীবনের সবচেয়ে বড় জয় পেলেন তিনি। এ দিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসে পিভি সিন্ধু দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন। ডাবলসেও জয় এসেছে।
১৯৬৫-র পর প্রথম ভারতীয় হিসাবে ব্যাডমিন্টন এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছিলেন আয়ুষ। বড় খেলোয়াড়দের হারানোর ব্যাপারে তাঁর সুখ্যাতি রয়েছে। অতীতে লি শি ফেং, জোনাথন ক্রিস্টি এবং কুনলাভুট ভিডিটসার্নকে হারিয়েছিলেন। এ বার ইউকিকে হারালেন।
এ দিন ইউকিকে হারিয়েছেন ২১-১৪, ১৩-২১, ২১-১৯ গেমে। চিনের খেলোয়াড় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করলেও জিততে পারেননি। তাঁর কোর্ট কভারেজ, স্ম্যাশ এবং পিছিয়ে পড়েও ফিরে আসার প্রবণতা জিততে সাহায্য করেছে। তৃতীয় গেমে উত্তেজনার মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। আয়ুষ ১৫-৫ এগিয়ে থাকার পরেও এক সময় ইউকি ব্যবধান কমিয়ে ১৫-২০ করে ফেলেছিলেন। তার পর টানা চারটি পয়েন্ট জিতে ১৯-২০ করে ফেলেন। মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ বার করেন আয়ুষ।
নবম বাছাই সিন্ধুকে এত কষ্ট করতে হয়নি। তিনি আয়ারল্যান্ডের সোফিয়া নোবেলকে হারিয়েছেন ২১-৭, ২১-১১ গেমে। অতীতে বিশ্ব ব্যাডমিন্টনে দু’টি ব্রোঞ্জ, দু’টি রুপো এবং একটি সোনা জিতেছেন তিনি। তবে গত কয়েক বছর ধরে পদক পাননি।
আরও পড়ুন:
ম্যাচের পর সিন্ধু বলেন, “শুরুটা ভাল হয়েছিল। অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলাম। এ দিক-ও দিক ২-৩টে পয়েন্ট পেলেও লিড ধরে রাখতে পেরেছি। প্রথম ম্যাচটা ভালই হল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালই খেলেছি। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথমার্ধে ড্রপ শট এবং স্ম্যাশ খেলতে পেরেছি।” পরের ম্যাচে কানাডার ওয়েন ইউ ঝাংয়ের বিরুদ্ধে খেলবেন সিন্ধু।
ডাবলসে, তৃষা জলি এবং গায়ত্রী গোপীচাঁদ ২১-৯, ২১-১৩ হারিয়েছেন স্পেনের জুটি পাওলা লোপেজ় এবং লুসিয়া রদ্রিগেজ়কে। তার আগে পুরুষ ডাবলসে হরিহরণ আমসাকারুনান এবং এমআর অর্জন দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন স্কট গিল্ডি এবং পল রেনল্ডসকে ২১-১৬, ৬-৪ গেমে হারিয়ে। দ্বিতীয় গেমের মাঝপথে ম্যাচ ছেড়ে দেন এই জুটি।