শেষ বার ২০২০ সালে নিউ জ়িল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ় খেলতে গিয়েছিল ভারতীয় দল। দুই টেস্টের সিরিজ়ে চুনকাম হয়ে ফিরেছিল তারা। চার ইনিংসে ভারত করেছিল যথাক্রমে ১৬৫, ১৯১, ২৪২ ও ১২৪ রান। আর তাই এ বার টেস্টে নামার আগে শুভমন গিলদের টোটকা বাতলে দিলেন সুনীল গাওস্কর।
ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে যে এ বারও সবুজ উইকেট ভারতের অপেক্ষায় রয়েছেন তা জানেন গাওস্কর। তাই তিনি জানিয়েছেন, ধৈর্য ও টেকনিকই হল আসল। গাওস্কর বলেন, “ইংল্যান্ডের মতোই নিউ জ়িল্যান্ডেও যতটা সম্ভব দেরিতে শট মারা উচিত। আগে থেকে শট মারতে যেয়ো না। কারণ, দেরিতে খেললে তবেই পিচ থেকে বলের নড়াচড়া সামলানো যাবে।”
গাওস্করের মতে, নিউ জ়িল্যান্ডে বল পড়ার পর যে সুইং হয় সেটা সামলানো কঠিন। তাই তিনি বলেন, “হাওয়ায় সুইং করলে আগে থেকে বোঝা যায়। কিন্তু পিচে পড়ার পর বল সুইং করলে তা সামলানো মুশকিল। কারণ, সে ক্ষেত্রে ব্যাটের অনেক কাছ থেকে বল সুইং করে। তাই দেরিতে খেললে সুবিধা। ব্যাট জোরে না ঘুরিয়ে হালকা হাতে খেলতে হবে। রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ের উপর জোর দিতে হবে।”
তবে এ বার ভারতীয় দল অনেক আগেই নিউ জ়িল্যান্ডে যাচ্ছে। আগে টি-টোয়েন্টি ও এক দিনের সিরিজ় হবে। শেষে টেস্ট। এতে ভারতীয় দলের কিছুটা সুবিধা হবে বলে মনে করেন গাওস্কর। তিনি বলেন, “নিউ জ়িল্যান্ডে সবচেয়ে সমস্যা হল সময়ের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। ঘুমনো ও জেগে থাকার সময় পুরো বদলে যায়। এ বার ভারতীয় দল আগে থেকে যাচ্ছে। ফলে মানিয়ে নিতে কিছুটা সুবিধা হবে।”
আরও পড়ুন:
এই সময় নিউ জ়িল্যান্ডে ব্যাট করা যে কঠিন তা স্বীকার করলেও, ধৈর্য থাকলে যে পরবর্তী সময়ে সুবিধা হবে, তা-ও জানিয়েছেন গাওস্কর। তিনি বলেন, “এই সময় ওখানে পিচে ঘাস ভাল থাকবে। আবহাওয়া ঠান্ডা হবে। বৃষ্টিও হতে পারে। ফলে বল প্রচন্ড সুইং করবে। তা সামলানো কঠিন। কিন্তু এক বার থিতু হয়ে গেলে রান করা খুব সহজ। আশা করি, আমাদের ব্যাটারেরা তা করে দেখাবে।”
১৯ নভেম্বর থেকে শুরু ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড টেস্ট সিরিজ়। প্রথম টেস্ট ওয়েলিংটনের বেসিন রিজ়ার্ভে। ২৭ নভেম্বর থেকে ক্রাইস্টচার্চে শুরু দ্বিতীয় টেস্ট। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে এই দুই টেস্টই জিততে হবে ভারতকে।