একের পর এক ভারতীয় ক্রিকেটার চোট পাওয়ার পর উৎকর্ষ কেন্দ্রের দিকে আঙুল উঠেছে। ভারতের নির্বাচকেরাও ঘুরিয়ে উৎকর্ষ কেন্দ্রের চিকিৎসকদের দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সুনীল গাওস্কর তেমন মনে করছেন না। তাঁর মতে, ভারতীয় দলে অনুশীলনের খারাপ পদ্ধতির জন্যই চোট পাচ্ছেন ক্রিকেটারেরা।
জসপ্রীত বুমরাহ, সাই সুদর্শন, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী-সহ অনেক ক্রিকেটারই চোটের কারণে বাইরে। নির্বাচকেরা মনে করছেন, উৎকর্ষ কেন্দ্রের চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই চোট পেতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের।
তবে এক সংবাদপত্রের কলামে গাওস্কর লিখেছেন, “বুমরাহের হাঁটুতে চোট। কিন্তু বেশির ভাগ ভারতীয় ক্রিকেটারই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাচ্ছে। নিশ্চিত ভাবেই ভারতের অনুশীলনে কোনও গন্ডগোল রয়েছে, তাই জন্যই বার বার বোলারেরা হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাচ্ছে। ওরা ভারতের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পায়। দুর্ভাগ্যবশত, দোষ দেওয়া হয় উৎকর্ষ কেন্দ্রের ফিজ়িয়োদের ঘাড়ে।”
আরও পড়ুন:
-
ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, প্রচুর সুযোগ নষ্টের ম্যাচে বিষ্ণুর গোলে কোনও মতে মানরক্ষা লাল-হলুদের
-
হকি বিশ্বকাপে লজ্জার মুখে পড়ল পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ম্যাচে সুরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে নামতে ভুলে গেলেন খেলোয়াড়েরা!
-
দু’বার এগিয়ে গিয়েও জয় হাতছাড়া ভারতের, হকি বিশ্বকাপে চিনের কাছে আটকে গেলেন সালিমারা
খেলার জন্য প্রস্তুত হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটারদের যে পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন গাওস্কর। তিনি লিখেছেন, “বায়োমেকানিক্স নিয়ে অনেক কথা হয়। একজন বোলার নাকি নেটে নির্দিষ্ট সংখ্যক বলই করতে পারে। এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা দরকার। আইপিএলেও নাকি বিদেশের ফিজ়িয়োরা একজন বোলারকে নেটে ২০ বলের বেশি করতে দেয়। ম্যাচে তো ২৪টা বল করতেই হয়, যদি না আপনি নো বা ওয়াইড বল করেন। তা হলে অনুশীলনে তার চেয়ে কম বল করলে কী করে হবে?”
গাওস্করের সংযোজন, “কেন বার বার চোট পাচ্ছে, এই বিষয়টা নিয়ে খুব গভীর এবং কঠোর ভাবে ভাবতে হবে। জিমে ফিট হওয়ার থেকে ম্যাচে ফিট হওয়া বেশি দরকার। তবে আমি হয়তো এখনকার প্রজন্মের নই। এখন হয়তো ভাবনাচিন্তা অনেক আলাদা।”