ম্যাচ চলাকালীন মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ঝগড়া করে শাস্তি পেলেন নেমার। দু’ম্যাচ নিলম্বিত করা হয়েছে ব্রাজ়িলের প্রাক্তন ফুটবলারকে।
ব্রাজ়িলের লিগের ম্যাচে স্যান্টসের হয়ে বাহিয়ার বিরুদ্ধে খেলছিলেন নেমার। ম্যাচ চলাকালীন একটি ফাইলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হতে থাকে নেমারের। তখনই দেখা যায়, হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কিছু একটা বলছেন নেমার।
ম্যাচ শেষে আয়োজকদের কাছে আবেদন করে বাহিয়া। সেই আবেদনের পর নেমারকে দু’ম্যাত নিলম্বিত করা হয়েছে। চলতি বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ চলাকালীন ব্রাজ়িলের ফুটবলার ভিনিসিয়াস জুনিয়র অভিযোগ করেছিলেন, মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষ ফুটবলার তাঁকে বর্ণবৈষম্যমূলক কথা বলেছেন।
ফুটবল মাঠে মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলার রীতি নতুন নয়। মুখ ঢাকা থাকায় কে কী বলছেন, তা ক্যামেরায় বোঝা মুশকিল। বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ উঠেছে, মুখ ঢেকে বর্ণবৈষম্যমূলক কথা বলেন অনেকে। চলতি বছর ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ফিফা নতুন নিয়ম করে, ম্যাচ চলাকালীন মুখ ঢেকে কথা বললে রেফারি লাল কার্ড দেখাতে পারেন। বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের এক ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানও রেফারি। এ বার নেমার শাস্তি পেলেন।
আরও পড়ুন:
তবে শুধু দুই ম্যাচ নয়, মোট তিন ম্যাচ নিলম্বিত থাকতে হবে নেমারকে। বেশ কয়েকটি হলুদ কার্ড দেখায় এক ম্যাচ এমনই বেঞ্চে বসে কাটাতে হত তাঁকে। তার উপর দুই ম্যাচ নিলম্বিত হয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, নভেম্বরের শেষ দিকের আগে আর মাঠে ফেরার সম্ভাবনা তাঁর নেই। তবে চাইলে নেমার ও স্যান্টস এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারেন।
চলতি বছর বিশ্বকাপেই শেষ বার দেশের জার্সিতে খেলেছেন নেমার। তবে বেশির ভাগ সময়েই বেঞ্চে বসে কাটিয়েছেন তিনি। শেষ দু’টি ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন। নরওয়ের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে একটি গোলও করেন ব্রাজ়িলের সর্বাধিক গোলের মালিক। তবে আরও এক বার হতাশ হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপ শেষে জাতীয় দল থেকে অবসর ঘোষণা করেন নেমার।