প্রথম দিন দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে দু’টি সিঙ্গলসে হেরে গিয়ে কাজ এমনিতেই কঠিন হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় দিন ভারত ডাবলস জিতে ঘুরে দাঁড়ালেও লাভ হল না। ফিরতি সিঙ্গলসে সুমিত নাগাল আবার হারতেই শেষ হয়ে গেল ভারতের লড়াই। ডেভিড কাপের যোগ্যতা অর্জনের পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ১-৩ হারল ভারত। চূড়ান্ত আটে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল তাদের।
শনিবার দিনের প্রথম ম্যাচটি ছিল ডাবলস। তবে এন শ্রীরাম বালাজির সঙ্গে নিকি পুনাচা নয়, জুটি বেঁধেছিলেন দক্ষিণেশ্বর সুরেশ। তাঁরা মরণবাঁচন ম্যাচে জিসুং নাম এবং উইসুং পার্ক জুটিকে ৬-৩, ৩-৬, ৬-৩ গেমে হারান। ওপেনিং গেমেই ভারতীয় জুটি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা লড়াই করতে এসেছেন। কোরিয়ান জুটিকে দাঁড়াতেই দেননি। নামের সার্ভকে বার বার আক্রমণ করেন বালাজিরা। অন্য রকম আত্মবিশ্বাস নিয়ে নেমেছিল ভারত। দ্বিতীয় সেটে হারলেও তৃতীয় সেটে তারা জিতেছে।
প্রথম সিঙ্গলসে র্যাঙ্কিংয়ে অনেক নীচে থাকা খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে হেরে যান তিনি। ফিরতি সিঙ্গলসে আরও লড়তে পারেননি তিনি। বিশ্বের ১৫৭ নম্বর সুনউ কুনের কাছে ১-৬, ২-৬ গেমে উড়ে যান। এই কুনের বিরুদ্ধেই সুরেশ তিন ঘণ্টার কাছাকাছি লড়াই করেছিলেন। কিন্তু নাগাল ধরতেই পারেননি উনের খেলা। প্রত্যাবর্তন করার কোনও ইচ্ছাই দেখা যায়নি তাঁর খেলায়।
এশিয়ার প্রথম দল হিসাবে ডেভিস কাপের নকআউটে উঠল দক্ষিণ কোরিয়া। ফরম্যাট বদলানোর পর তারা এ বার বড় দলের বিরুদ্ধে খেলতে পারবে। ভারতকে অপেক্ষা করতে হবে। এ বছর নেদারল্যান্ডসের মতো দেশকে হারিয়েছিল ভারত। ফলে কোরিয়ায় গিয়েছিল ইতিহাস তৈরির স্বপ্ন নিয়ে। তা এ বার হচ্ছে না। পরের বছর ভারতকে যোগ্যতা অর্জন পর্বের প্রথম রাউন্ড খেলতে হবে।
আরও পড়ুন:
ভারতের নন-প্লেয়িং অধিনায়ক রোহিত রাজপালের সম্ভবত এটাই শেষ প্রতিযোগিতা। ডিসেম্বরে তাঁর চুক্তি শেষ হচ্ছে। তিনি এ দিন নাগালের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বলেছেন, “আমরা দল হিসাবে খেলি। হারের নেপথ্যে আলাদা করে কাউকে দোষ দিতে চাই না। আমরা দল হিসাবে জিতেছি। বেঙ্গালুরুতে পেশি ছিড়েছিল নাগালের। তাতে টেপ জড়িয়েও ও খেলেছিল। কাউকে না বলে আমরা ম্যাচটা জিতেছিলাম।”