বুধবার সকালেই তিরন্দাজি থেকে দু’টি সোনা এসেছিল ভারতের ঘরে। বেলা গড়াতে আরও একটি সোনা এল। এ বার শুটিংয়ে। মিক্সড ট্র্যাপ ইভেন্টে সোনা জিতলেন নীরু ঢাঁডা এবং কিনান চেনাই। এ দিকে, বক্সিংয়ের ফাইনালে উঠেছেন লভলিনা বরগোঁহাই।
যোগ্যতা অর্জন পর্বে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিল ভারতীয় জুটি। কিন্তু ফাইনালে তাঁদের রোখা যায়নি। মঙ্গলবার নীরু মহিলাদের ট্র্যাপ ইভেন্টে সোনা জিতেছিলেন। এ দিন দলগত বিভাগেও সোনা জিতলেন। প্রথম দু’টি শটে লক্ষ্যভ্রষ্ট হন তিনি। প্রথম পাঁচটি শটের মধ্যে তিনটিই কাজে লাগাতে পারেননি। এর পর দারুণ ভাবে ফিরে আসেন তিনি।
৩৬ বছরের কিনান আগেই জানিয়েছিলেন, তরুণ শুটারদের সঙ্গে খেলতে উত্তেজিত তিনি। সেটাই দেখা গেল শুটিং রেঞ্জেও। ভারত ৪০-এর মধ্যে ৩৪ স্কোর করে এশিয়ান রেকর্ড করেছে। আগের রেকর্ড ছিল কাতারের (৩০)। তারা ৩২ স্কোর করে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে। ২৩ স্কোর করে তিনে চিন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সুবেদার পদে কর্মরত নীরু তুতো ভাইকে দেখে এসেছিলেন শুটিংয়ে। ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে শুটিংয়ে পদক জিতেছিলেন লক্ষ্য সেওরান। তিনি নীরুর তুতো ভাই। তাঁকে দেখেই শুটিং শুরু নীরুর। আট বছরের মধ্যে দেশকে এশিয়ান গেমসে দু’টি সোনা এনে দিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
২০২২ সালের শুটিংয়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম বার ভারতের হয়ে নামেন নীরু। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে জেতেন সোনা। চলতি বছরই ভারতের প্রথম মহিলা শুটার হিসাবে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ ইভেন্টে সোনা জেতেন তিনি। মিক্সড ট্র্যাপ ইভেন্টে জেতেন ব্রোঞ্জ। সেই ছন্দ এশিয়ান গেমসেও ধরে রেখেছেন তিনি।
এ দিকে, বক্সিংয়ে ৭৫ কেজি বিভাগের ফাইনালে উঠেছেন লভলিনা। তিনি কোয়ার্টারে কাজাখস্তানের নাতালিয়া বগদানোভাকে হারান। পরে তিনি বলেছেন, “প্রথম রাউন্ডে হেরে গিয়েছিলাম। তখনই ঠিক করি দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজেকে উজাড় করে দেব। নিজের ১০০ শতাংশ দিয়েছি।” ফাইনালে তিনি চিনের বাও জিইর বিরুদ্ধে খেলবেন।