নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পদ আঁকড়ে বসে থাকলে চলবে না। ৭০ বছর বয়স হয়ে গেলে সরে যেতেই হবে। ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্থাকে (আইওএ) স্পষ্ট নির্দেশ দিল আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স সংস্থা (আইওসি)। আইওএ-র তরফে বয়ঃসীমায় শিথিলতা দেওয়ার যে আবেদন করা হয়েছিল তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। এ দিকে, হকিতে হেনস্থাকাণ্ডে কমিটি গড়া হয়েছে।
আইওএ-র এখনকার সংবিধানের ১৪.৩ ধারায় বলা হয়েছে, ৭০ পেরিয়ে যাওয়া সদস্যেরা ভোটে লড়তে পারেন যদি আন্তর্জাতিক সনদে তার অনুমতি দেওয়া থাকে। তবে মঙ্গলবার সংশোধিত যে সংবিধান পাশ করানো হয়েছে তাতে সকল কর্তা এবং কর্মসমিতির সদস্যদের বয়ঃসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৭০-এ। এর অন্যথা কোনও ভাবেই হবে না।
মঙ্গলবার আইওএ-র বিশেষ সাধারণত সভায় সকল কর্তা, জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা এবং অলিম্পিক্স ক্রীড়া সংস্থার কর্তারা হাজি ছিলেন। সেখানেই সংবিধান সংশোধন করা হয়। কর্তা এবং কর্মসমিতির সদস্যেরা সর্বোচ্চ তিনটি মেয়াদে থাকতে পারবেন। তার পর বাধ্যতামূলক কুলিং অফে যেতে হবে।
আরও পড়ুন:
এ দিকে, হকি ইন্ডিয়ার সচিব ভোলানাথ সিংহের বিরুদ্ধে যে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন মহিলা হকি দলের অধিনায়ক অসুন্তা লাকরা, তার তদন্ত করতে একটি কমিটি গড়েছে আইওএ। কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের নির্দেশে এই কাজ করা হয়েছে। কমিটির শীর্ষে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দীপা শর্মা, প্রাক্তন অ্যাথলিট বন্দনা রাও, প্রাক্তন হকি অধিনায়ক মমতা খার্ব এবং আইনজীবী সীতবত নবি রয়েছেন। উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডের মহিলা খেলোয়াড়দের যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় কোচ সুধীর গোল্লার বিরুদ্ধে। তা প্রকাশ্যে এনেছিলেন অসুন্তা। এর পর তাঁকেই হুমকি দেওয়া হয়।