অন্তরীক্ষে পা রাখছে কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স)। মহাকাশে বসে একাধিক কাজ সারবে ওই প্রযুক্তি। বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট গুগ্লের এ-হেন ঘোষণায় দুনিয়া জুড়ে পড়ে গিয়েছে শোরগোল। দীর্ঘ দিন ধরেই পৃথিবীর বাইরে তথ্যভান্ডার বা এআই ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। সেই লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ? বাড়ছে জল্পনা।
পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনই অন্তরীক্ষে কোনও এআই ডেটা সেন্টার তৈরি করছে না গুগ্ল। তবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বেশ কিছু চিপ এবং টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (টিপিইউ) কৃত্রিম উপগ্রহে ভরে মহাকাশে পাঠিয়েছে এই বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট। সেখান থেকে কৃত্রিম মেধাভিত্তিক কাজ চালাবে তারা। এতে উপকার হবে পৃথিবীবাসীর।
কৃত্রিম মেধার চিপ ও টিপিইউ অন্তরীক্ষে পাঠানোর নেপথ্যে গুগ্লের সুনির্দিষ্ট কিছু যুক্তি রয়েছে। মহাকাশে জ্বালানির কোনও অভাব নেই। সূর্যালোকের সাহায্যে নিরন্তর বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা রয়েছে সেখানে। তা ছাড়া খুব দ্রুত কোনও বস্তুকে ঠান্ডা করা যেতে পারে। কারণ, আলো না পৌঁছোলেই হু-হু করে নেমে যায় মহাশূন্যের তাপমাত্রা।
যদিও কৃত্রিম মেধার চিপ ও টিপিইউকে অন্তরীক্ষে স্থাপনের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা রয়েছে। এআই ব্যবহারের সময় সেগুলির থেকে নির্গত তাপ কী ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে গবেষকমহল।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায়ে এআইয়ের চিপ ও টিপিইউ অন্তরীক্ষে স্থাপন সফল হলে আগামী দিনে আরও এই ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাবে গুগ্ল। এই পদ্ধতিতে সেখানে তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট মার্কিন টেক জায়ান্টের। যদিও এই নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি তারা।