কলকাঠি নাড়ছে স্যামসাং। তার জন্য নাকি ফের বাড়তে চলেছে আইফোনের দাম! সমাজমাধ্যমে এই খবর ভাইরাল হতেই দুনিয়া জুড়ে পড়ে গিয়েছে শোরগোল। আনুষ্ঠানিক ভাবে মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপ্ল কোনও বিবৃতি না দিলেও মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে একরকম নিশ্চিত বিশেষজ্ঞ মহল। কেন? এই প্রতিবেদনে তারই হদিস দিল আনন্দবাজার ডট কম।
আইফোনের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ র্যাম ও স্টোরেজের ব্যাপারে স্যামসাঙের সঙ্গে চুক্তি সেরেছে অ্যাপ্ল। সেই সমঝোতা অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরীয় সংস্থাটির থেকে ৩৩ শতাংশ বেশি দামে প্রথমটি কিনতে তারা। আর দ্বিতীয়টি পেতে ২৭ শতাংশ বেশি খরচ হবে সংশ্লিষ্ট মার্কিন টেক জায়ান্টের।
আর তাই টেক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আগামী বছরের (২০২৭ সাল) জানুয়ারি নাগাদ ফের বাড়বে আইফোনের দাম। ইতিমধ্যেই সেটা একদফা বৃদ্ধি করেছে অ্যাপ্ল। উদাহরণ হিসেবে ১৭ সিরিজ়ের মডেলগুলির কথা বলা যেতে পারে। গোড়ায় ৮৩,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল সেগুলি। বর্তমানে সেটাই এক লক্ষ টাকা ছুঁয়েছে।
দাম বাড়লেও আইফোন সস্তায় কেনার সুযোগ অবশ্য পাবেন গ্রাহক। এর জন্য ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির সেলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে। সেখানেই ‘মেগা ছাড়’ অ্যাপ্লের মুঠোবন্দি ডিভাইস বিক্রি করে থাকে অ্যামাজ়ন ও ফ্লিপকার্টের মতো অনলাইন সংস্থা।
আরও পড়ুন:
বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে আইফোন উৎপাদন করছে ভারত। ফলে অ্যাপ্লনির্মিত মুঠোবন্দি ডিভাইসের দাম কমার ব্যাপারে আশাবাদী ছিল আমজনতা। যদিও বাস্তবে তা হয়নি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, আমেরিকার বাজারে বেশ সস্তায় বিক্রি হচ্ছে আইফোন। তা হলে কেন এ দেশের বাসিন্দাদেরই পকেট কাটছে নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট?
দামের হেরফেরের জন্য অবশ্য ডলারের নিরিখে ভারতীয় মুদ্রা, রুপির অবমূল্যায়নকে দায়ী করেছেন প্রযুক্তিবিদদের একাংশ। বর্তমানে এক ডলারের দর ৯৬-৯৭ টাকায় ঘোরাফেরা করছে। যদিও এই হিসেবে ভারতের বাজারে আইফোন বিক্রি করছে না অ্যাপ্ল। আর তাই মার্কিন টেক জায়ান্টের ফোন কিনতে গেলেই দামের ছেঁকা খাচ্ছেন গ্রাহক।