দেশীয় সংস্থার তৈরি স্মার্টফোন নয়। প্রথম পছন্দ হিসাবে অ্যাপ্লের মুঠোবন্দি ডিভাইসকেই বেছে নিয়েছে। আর তাই ড্রাগনের বাজারে বিক্রির নিরিখে আইফোনের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না ভিভো, শাওমি, আইকু থেকে ওপো। দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন টেক জায়ান্টটির ডিভাইস কিনতে হামলে পড়ার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ।
আরটি অবজ়ারভেশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ জুন পর্যন্ত চিনের বাজারে ১৭ সিরিজ়ের আইফোন বিক্রি হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লক্ষ। সেখানে আল্ট্রা সিরিজ়ের মাত্র ২.০১ লাখ ভিভোর ফোন কিনেছে ড্রাগনভূমির আমজনতা। শাওমি আল্ট্রা-১৭-এর ক্ষেত্রে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ২৮ হাজার।
এ ছাড়া জুনের ওই তারিখ পর্যন্ত চিনে আইকু ১৫ আল্ট্রার ২ লাখ ২১ হাজার ইউনিট এবং ওপোর ফাইন এক্স৯ আল্ট্রার ১ লাখ ২৯ হাজার স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ, বেজিঙের সব ক’টা ব্র্যান্ড মিলেও অ্যাপ্লের ধারেকাছে পৌঁছোতে পারেনি।
বিশ্লেষকদের দাবি, শুধুমাত্র অতিশক্তিশালী ক্যামেরা বা ব্যাটারি থাকলেই যে স্মার্টফোনের বিক্রি বাড়ানো যাবে, এমনটা নয়। ভিভো, ওপো বা শাওমির তুলনায় অ্যাপ্লের ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেক বেশি। তা ছাড়া আইফোনের অপারেটিং সিস্টেম অন্যদের থেকে আলাদা। তাই সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি ব্যবহারে আলাদা অভিজ্ঞতা পেয়ে থাকেন গ্রাহক। সেটাই একে চিনের বাজারেও এক নম্বর স্থান ধরে রাখতে সাহায্য করছে।
সূত্রের খবর, এত দিন পর্যন্ত আইফোনের চিপ ও মেমোরির জন্য গড়ে ৫,০০০ টাকা খরচ করছিল অ্যাপ্ল। কিন্তু, কিছু দিনের মধ্যে এই ডিভাইসের ১৮ নম্বর সিরিজ় বাজারে আনবে তারা। তার চিপ ও মেমোরি বাবদ ১৮,৭৩৩ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে তাদের। একই কথা আইপ্যাড বা ম্যাকবুকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই এগুলির দাম বা়ড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়ে দিয়েছে ওই বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট।