আপনমনে খেতে কাজ করছিলেন কয়েক জন মহিলা। টেরই পাননি কখন পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে সাক্ষাৎ যম। সামান্য কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে প্রাণে বাঁচলেন তাঁরা। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর জেলার গরুড়ের ঘটনা। কৃষিজমিতে কাজ করার সময় কয়েক জন মহিলা হঠাৎ ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। কাজের সময় একটি চিতাবাঘ তাঁদের একেবারে ঘাড়ের কাছে চলে আসে। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি বিশাল কৃষিজমিতে ঘাস কাটার কাজ করছিলেন কয়েক জন মহিলা। সেই সময়ে নিঃশব্দে সেই জমিতে এসে উপস্থিত হয় হিংস্র শ্বাপদটি। প্রথমে কিছু ক্ষণ থমকে দাঁড়িয়ে থেকে মহিলাদের লক্ষ করতে থাকে সেটি। পরে সন্তর্পণে শিকার ধরার জন্য এগোতে শুরু করে। ধান মাড়াই ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকা মহিলাদের দিকে এগিয়ে আসে হিংস্র জন্তুটি। দূর থেকে এক ব্যক্তি ঘটনাটির ভিডিয়ো করছিলেন। চিতাবাঘটি এগোতেই তিনি ‘বাঘ বাঘ, পালাও’ বলে চিৎকার করতে শুরু করেন। সতর্কবাণী শুনে মহিলারা দৌড়ে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন। সেই ভিডিয়োটিই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এক্স হ্যান্ডলে ‘কুমায়ুনজাগরণ’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। বহু মানুষ ইতিমধ্যেই ভিডিয়োটি দেখেছেন। চিতাবাঘের প্রায়শই লোকালয়ে হানা দেওয়ার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকেরা। গরুড় এলাকার দর্শনী গ্রামে চিতাবাঘের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ার কারণে বন বিভাগের একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। চিতাবাঘের আনাগোনার কারণে দর্শনী গ্রামের কাছে একটি খাঁচা স্থাপন করা হয়েছে। এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদেরও একা বা গভীর রাতে জঙ্গলে বা নির্জন এলাকায় না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।