প্রকাশ্য রাস্তায় প্রেমিকার উপর হামলা চালাতে গিয়েছিলেন
এক তরুণ। নকল বন্দুক এবং ছুরি নিয়ে সঙ্গিনীকে ভয় দেখাতে চেষ্টা করেন তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মরিয়া হয়ে পুলিশ ওই তরুণকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুগল। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৬ অক্টোবর,
সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তরুণের বয়স ২৯। গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে সঙ্গিনীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেন তরুণ। পুলিশ তাঁকে আত্মসমপর্ণের নির্দেশ দিলেও তিনি তা অগ্রাহ্য করেন। তখন বাধ্য হয়েই হামলাকারীকে লক্ষ্য করে দু’টি গুলি চালান এক পুলিশকর্মী। আক্রমণের মুখে পড়া অসহায় তরুণীকে রক্ষা করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁদের দু’জনকে সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
ওই তরুণী মাথা, মুখ এবং ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ এই আক্রমণটিকে ‘নারী হত্যার প্রচেষ্টা’ (ফেমিনিসাইড) হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশকর্মীর গুলি চালানোর ঘটনাটিকে তরুণীকে রক্ষা করার একটি বৈধ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে তারা।
আরও পড়ুন:
খবর, ব্রাজ়িলের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত সান্তা কাতারিনার ক্রিসিউমা শহরের ভিলা রিকা অঞ্চলের ঘটনা এটি। ভয়াবহ সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, হাতে বন্দুক নিয়ে তরুণীকে ভয় দেখাচ্ছেন অভিযুক্ত তরুণ। তরুণী কাকুমিমিনতি করছেন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। তরুণীকে দেওয়ালে একেবারে ঠেসে ধরতে দেখা গিয়েছে তরুণকে। প্রেমিকাকে ঘুরিয়ে সামনে নিয়ে ঢালের মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করেন তিনি।
ভিডিয়োর পরের অংশে ওই তরুণকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর পর ক্যামেরায় এক পুলিশকর্মীকে দেখা যায়। তাঁর হাতে বন্দুক, তিনি অভিযুক্তের গায়ে পা রেখে দাঁড়ান। এই সুযোগে তরুণীকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন:
‘অলজজ়ীরাইংলিশ’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োটি দেখে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী। কারও কারও মতে তরুণীকে বাঁচাতে মরিয়া হয়েই এমন কাজ করেছে পুলিশ। আবার কারও মতে, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, গুলি চালানোর অধিকার পুলিশের নেই। তা ছাড়া, ওই পুলিশকর্মী যে ভাবে তরুণের গায়ে পা তুলে দিয়েছেন সেটিরও নিন্দা করেছেন বহু নেটাগরিক।