‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রায় এক মাসব্যাপী আন্দোলনের ফলে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। গত ২৫ জুলাই এই ঘোষণা করেন তিনি। তবে এখনও আন্দোলনের রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ায়নি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। অনেক পথ চলা বাকি, সে বার্তা দিয়েছিলেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাই এখনও নানা দাবি নিয়ে রাস্তায় রয়েছেন ‘আরশোলা’রা। তাঁদের নানা কাজকর্ম ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হচ্ছে সেগুলি। দেশ জুড়ে ক্রমেই বেড়ে চলেছে তাদের জনপ্রিয়তা।
আরও পড়ুন:
এই আবহেই একটি ক্যাফে খুলে ফেলা হয়েছে ‘আরশোলা’ দলের নাম করে। এই কাণ্ডটি ঘটেছে বিহারে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাফেটির নানা ছবি, ভিডিয়ো। সেখানে দেখা গিয়েছে, এর অন্দরসজ্জায় কালো রঙের থিম ব্যবহার করা হয়েছে এবং টিনের ছাদে ঝোলানো হলুদ বাতি। দেওয়ালগুলো কৃত্রিম লতা ও ফুল দিয়ে সাজানো। গ্রাহকদের বসার জন্য রয়েছে কালো চেয়ার, তাতে লাল কুশন। টেবিলগুলি কাচের।
ভিডিয়োটি দেখে বোঝা গিয়েছে, ‘ককরোচ ক্যাফে’ ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভিড় করে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে তরুণ প্রজন্মের অনেককেই। ক্যাফেটির মালিক জানিয়েছেন, এই অদ্ভুত নামটি তরুণ গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার একটি কৌশল। এর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে কম খরচে ক্রেতাদের পাতে খাবার পৌঁছে দিতেও চেষ্টা করছে এই ক্যাফে। মেনুতে রয়েছে চা, কফি, ম্যাগি, স্যান্ডউইচ এবং নরম পানীয়। নালন্দা জেলার হিলসা বাইপাসে অবস্থিত এটি।
আরও পড়ুন:
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োটি ‘০১_নালন্দা_সে’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। প্রায় এক লক্ষ বার দেখা হয়েছে সেটি। ২০০০-এর বেশি ভালবাসার চিহ্ন আঁকা হয়েছে তাতে। বহু নেটাগরিক মন্তব্যও করেছেন। এই অভিনব ব্যবসায়িক বুদ্ধিকে প্রশংসায় ভরিয়েছেন সকলে। এক জন ঠাট্টা করে লিখেছেন, “এখানে খাবারে আরশোলা থাকলে অভিযোগ জানানো যাবে কি?”