দু’চাকার বাইক বা মোটরসাইকেলগুলি দু’জন আরোহী বসার জন্যই ঠিকঠাক। সেই সঙ্গে কোনও ছোট্ট বাচ্চা বসলেও বিশেষ অসুবিধে হয় না। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, তিন জন তো বটেই, চার জনও চড়ে বসেন মোটরসাইকেলে। সমাজমাধ্যমে ভাইরালও হয় সে সব কাণ্ডের ভিডিয়ো। অনেক সময়ই পুলিশের নজরে পড়ে বিপাকেও পড়েন বাইকচালক এবং আরোহীরা। তবে, সম্প্রতি এমন একটি ভিডিয়ো ছড়িয়েও পড়েছে সমাজমাধ্যমে, যা এ সব কিছুকেই ছাড়িয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
ঘটনাটি কর্নাটকের। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন এক তরুণ। তাঁর মোটরসাইকেলের পিছনে রয়েছে একটি বেশ বড়সড় ঝুড়ি। অনেকটা কেরিয়ার গোছের সেই ঝুড়িটি। সেটি আবার বাঁধা রয়েছে মোটরসাইকেলটির সঙ্গে। তাতেই ঠাসাঠাসি করে বসে রয়েছে জনা কয়েক বাচ্চা। ক্যামেরায় একটি গাড়ির সামনের কিছুটা অংশ দেখা যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, ওই গাড়িটির আরোহীই ভিডিয়োটি করেছেন।
ভিডিয়োটির ক্যাপশন থেকে জানা গিয়েছে, মাইসুরু-নঞ্জনগুডু সড়কে এমন বিপজ্জনক ভাবে চালানো হচ্ছিল মোটরসাইকেলটি। মোট পাঁচ বাচ্চাকে নিয়ে সফর করছিলেন ওই চালক, এমনটাই জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে কেরিয়ারটিতে চার জন এবং সামনে আরও এক জন বাচ্চা ছিল। তবে, এমন ঝুঁকির সফরেও বাচ্চাদের চোখেমুখে ভয়ের কোনও চিহ্ন দেখা যায়নি। তারা বোধহয় বুঝতেই পারেনি যে বিষয়টি ঠিক কত বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
আরও পড়ুন:
‘সনাতন_কন্নড়’ নামের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োটি হাজার হাজার বার দেখা হয়েছে। বাচ্চাদের নিয়ে এমন ঝুঁকিপূর্ণ সফর করার কারণে তীব্র নিন্দা হয়েছে ওই চালকের। অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। ক্ষোভে ফেটে পড়ে এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, “মনে হচ্ছে যেন বাচ্চাদের নয়, হাঁস-মুরগি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” আর এক জন লিখেছেন, “ভারতে সবই সম্ভব।”