প্রকৃতির রূপ যেমন সুন্দর, তেমনই ভয়ঙ্কর। বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে অংশ নিয়ে রোমাঞ্চপ্রেমীরা প্রকৃতির রূপকে আরও কাছ থেকে দেখার শখ মেটান। সেগুলির মধ্যে অন্যতম স্কুবা ডাইভিং (সমুদ্রের তলায় সাঁতার কেটে সেখানকার রূপ দেখা)। অনেকেই স্কুবা ডাইভিং করে থাকেন। সমুদ্রের তলদেশ নানা রহস্যে ঘেরা বললে ভুল কিছু বলা হবে না। সেখানে রয়েছে বিচিত্র জীববৈশিষ্ট্য। এক তরুণী সেটাই দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ স্কুবা ডাইভিং না করে সমুদ্রের তলে থাকা টেকটনিক প্লেটগুলির মাঝ দিয়ে স্কুবা ডাইভিং করলেন তিনি। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা-ও সেই ভিডিয়ো থেকে জানতে পারা যায়নি।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছেন একদল স্কুবা ডাইভার। পোশাক পরে তৈরি তাঁরা সমুদ্রের নীচের দুনিয়া দেখার জন্য। কনকনে শীতল জলের গভীরে গিয়ে জলতলের জগৎ সাঁতরে দেখবেন তাঁরা। এক তরুণী জলে ঝাঁপ দিলেন। বেছে নিলেন সমুদ্রের তলার এক কঠিন পথ। গভীরে থাকা টেকটনিক প্লেটগুলির মাঝ দিয়ে সাঁতার কাটা শুরু করলেন তরুণী। সঙ্কীর্ণ সেই পথে সূর্যের আলোও পৌঁছোচ্ছে না ঠিকমতো। সেই পথ ধরেই এগোতে লাগলেন তরুণী। টেকটনিক প্লেটগুলি যে ধীরে ধীরে নড়ছে তা খানিকটা বোঝা গেল ভিডিয়োয়। দেখা গেল না কোনও জীবকে। কেবল টেকটনিক প্লেটের খোঁচা খোঁচা পাথরগুলি যেন বেরিয়ে তরুণীর দিকে তাকিয়ে রইল। ভিডিয়োর ক্যাপশনে তরুণী জানান যে যাঁদের ক্লসট্রোফোবিয়া (বদ্ধ বা ছোট জায়গায় থাকতে সমস্যা) রয়েছে, তাঁরা যেন কখনও টেকটনিক প্লেটের মাঝে স্কুবা ডাইভ করার সিদ্ধান্ত না নেন। আরও জানান যে, টেকটনিক প্লেটের মাঝে ডাইভ করে তরুণীর ঠোঁট দু’টি প্রায় এক ঘণ্টার জন্য অবশ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই অনুভূতি ভোলার নয় বলে জানিয়েছেন তরুণী।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘ভেরারবাটসকায়া’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রায় দু’লক্ষ ১৫ হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা রকমের মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এ দৃশ্য ভোলার নয়।’’ তরুণী কোন দুই টেকটনিক প্লেটের মাঝে স্কুবা ডাইভ করেছেন তা জানতে চেয়েছেনবহু নেটাগরিক।