অনেকেই মনে করেন গ্রামের সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করা বেশ একঘেয়ে একটি কাজ। জীবনযাত্রায় কোনও রকম আনন্দ থাকে না, বেরঙিন হয়ে পড়ে। তবে সব সময় তা সত্যি নয়। সহজ-সরল গ্রামের মানুষেরা এমন বহু কাজ করেন, যাতে মন ভরে ওঠে। সম্প্রতি তেমনই একটি ঘটনা ভাগ করে নিয়েছেন এক শিক্ষিকা। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ঘটনাটি ভিডিয়ো।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে ধরা পড়েছে একটি ক্লাসরুমের ভিতরের দৃশ্য। দরজার গোড়ায় ভিড় করে দাঁড়িয়ে রয়েছে বেশ কয়েক জন ছাত্র। আর তাদের মধ্যে থেকেই হাসিমুখে ক্লাসরুমে ঢুকছে এক নাবালক ছাত্র। তার হাতে কাপড়ের বড়সড় পুঁটলি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে পুঁটলিতে জড়িয়ে কিছু নিয়ে এসেছে সে। ক্লাসে ঢুকে দিদিমণির টেবিলের উপর পুঁটলিটা রাখে সে।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োর পরের অংশে দিদিমণিকে দেখা যায়। তাঁর পরনে সাধারণ কুর্তা এবং ঢোলা প্যান্ট। মুখে হাসি যেন ধরছে না। এর পর পুঁটলিটি খোলে ওই বালক। দেখা যায়, তার মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি লাউ। দিদিমণির হাতে এক এক করে সেগুলি তুলে দেয় পড়ুয়া। ওই শিক্ষিকা বলেন, এই এত লাউ তো তিনি ১০ দিন ধরেও খেয়ে শেষ করতে পারবেন না। ভিডিয়োটির ক্যাপশনে এই বিষয়টিকে মজার ছলে তিনি আয়ের গোপন দিক বলে উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন:
‘শ্রুতিচৌহানরাজাওয়াত’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে এই ঘটনার ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
কয়েক লক্ষ বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। তা দেখে মজার মজার মন্তব্য করেছেন বহু সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী। ছোট্ট পড়ুয়ার সরলতা মুগ্ধ করেছে তাঁদের। কেউ কেউ আবার ওই শিক্ষিকার উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনি খুবই ভাগ্যবতী।” কারও আবার মনে পড়ে গিয়েছে জনপ্রিয় হিন্দি ওয়েব সিরিজ় ‘পঞ্চায়েত’-এর কথা। মজার ছলে লিখেছেন, “আপনি কি ফুলেরার সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন?”