আবার খবরে সেই লোহাগড় দুর্গ। কয়েক দিন আগেই পুণের ব্যবসায়ী পুত্র কেতন অগ্রবালের মৃত্যুর ঘটনায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল মহারাষ্ট্রের এই ঐতিহাসিক দুর্গ। এ বার সেখানে গিয়ে পর্যটকদের আচরণ সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো হইচই ফেলেছে। নতুন করে বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, দুর্গের প্রাচীরের ওপর দাঁড়িয়ে ধূমপান করার কারণে দিল্লি থেকে আগত পর্যটকদের একটি দলের উপর ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক দল তরুণ এবং তরুণী লোহাগড় দুর্গে ধূমপান করছেন। এমন সময় এক স্থানীয় যুবক সেখানে পৌঁছে যান। পর্যটকদের কাছে জানতে চান যে, ঐতিহাসিক এই জায়গায় ধূমপান করার অনুমতি তাঁদের কে দিয়েছে। তখন ওই তরুণ পর্যটকেরা জানান যে তাঁরা কোনও নিয়মকানুন সম্পর্কে জানেন না এবং ধূমপান নিষিদ্ধ সংক্রান্ত কোনও সাইনবোর্ডও সেখানে ছিল না। তখন স্থানীয় ওই ব্যক্তি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয় উভয় পক্ষের। ভিডিয়োয় স্থানীয় যুবককে বলতে শোনা যায়, ‘‘আপনাদের কি সামান্য কাণ্ডজ্ঞানও নেই? আপনারা কি কোনও মন্দিরের ভিতরে ধূমপান করেন? এই দুর্গটি আমাদের মন্দির।’’ ভিডিয়োর শেষ দিকে ওই ব্যক্তি পর্যটকদের সতর্ক করে জানান যে, তিনি চাইলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। তাঁদের কাছে থাকা সব সিগারেটও জমা দিতে বলেন তিনি। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী স্থানের নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়েও নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে ভাইরাল ভিডিয়োটিকে কেন্দ্র করে।
আরও পড়ুন:
लोहगड वर दिल्लीचे पब्लिक!
—
महाराष्ट्रातील गड-किल्ल्यांचे पावित्र्य राखण्यासाठी सिगरेट, तंबाखू व मद्यसेवनावर (दारू) पूर्णपणे कायदेशीर मनाई आहे।
हे यांना माहिती नसावं की सिया पॉईंट बघायला आले असावे?#लोहगड pic.twitter.com/50CWQZYpoWBhakta's Vikas/भक्तांचा विकास (@kisora_pat7606) July 29, 2026
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ভক্ত’স বিকাশ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। ঐতিহাসিক স্থানগুলির বিধিনিষেধ এবং মানরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা এবং বিতর্কের ঝড় উঠেছে।
আরও পড়ুন:
পর্যটকেরা প্রায়ই যুক্তি দেন যে ঐতিহাসিক স্থানগুলিতে থাকা বিধিনিষেধ সম্পর্কে তাঁরা অবগত নন। তবে, সংরক্ষিত স্থাপনাগুলির জন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)’ সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী নির্ধারণ করে দিয়েছে।