Advertisement
E-Paper

শতাব্দীপ্রাচীন বাড়ির দেওয়ালের পিছনে রহস্যময় কৌটো, বেরোচ্ছিল অ্যামোনিয়ার তীব্র গন্ধ, খুলতেই মিলল ‘গুপ্তধন’

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনের ওই দম্পতি লুইসা এবং তাঁর স্বামী ড্যান ১৯০০ সালের আগে তৈরি একটি বাড়িতে বসবাস করেন। সম্প্রতি বাড়ির বেসমেন্টে যাওয়ার সিঁড়ির নীচে ইট দিয়ে বন্ধ করা একটি জায়গা দেখে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন তাঁরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৮
UK family open old paint can inside their 100 year old home, stunned after opening it

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

১০০ বছরের পুরনো বাড়ি! লুকোনো কৌটো খুলতেই বেরিয়ে এল বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ! দেখে হতবাক দম্পতি। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটেনে। দম্পতি জানিয়েছেন, বাড়িতে রাখা রঙের একটি পুরনো কৌটোর মধ্যে থেকে এই অর্থ উদ্ধার হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ়উইক’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটেনের ওই দম্পতি লুইসা এবং তাঁর স্বামী ড্যান ১৯০০ সালের আগে তৈরি একটি বাড়িতে বসবাস করেন। সম্প্রতি বাড়ির বেসমেন্টে যাওয়ার সিঁড়ির নীচে ইট দিয়ে বন্ধ করা একটি জায়গা দেখে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন তাঁরা। বছরে পর বছর ধরে সেখানে কী লুকিয়ে রাখা ছিল, তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন লুইসা এবং ড্যান।

দম্পতি জানিয়েছেন, ওই বন্ধ জায়গার মধ্যে কয়েক টুকরো কয়লা এবং রঙের একটি পুরনো ও জরাজীর্ণ কৌটো ছিল। কৌটোটি ছিল নোংরা এবং পোকামাকড়ে ভরা। সেটি থেকে অ্যামোনিয়ার মতো তীব্র গন্ধ বার হচ্ছিল। ভেতরে কী আছে তা নিশ্চিত না হওয়ায় দম্পতি বেশ কয়েক মাস সেটি আর স্পর্শ করেননি। অবশেষে কৌটোটি খোলার সাহস সঞ্চয় করেন দম্পতি। কৌটোটি খোলার সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত নেন মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করারও।

এর পর কৌটোর ঢাকা খুলতেই হতবাক হয়ে যান ড্যান এবং লুইসা। অবাক করা বিষয় হল, কৌটোর ভেতরে ১৯৭০-এর দশকের বেশ কিছু নোটের বান্ডিল খুঁজে পান তাঁরা, যার মূল্য ১,০০০ পাউন্ডের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.২৭ লাখ টাকা) বেশি। লুইসা পরে জানান, বাড়ির ভেতরে যে টাকা পাওয়া যেতে পারে, তা তাঁরা কখনও কল্পনাও করেননি। তিনি এটিকে একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এই খোঁজের সাক্ষী হয়ে তিনি এবং তাঁর স্বামী অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত বলেও জানিয়েছেন ওই ব্রিটিশ বধূ।

লুইসা সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘আমাদের কেউই কৌটোর ভেতরে টাকা পাওয়ার আশা করিনি। ফলে কৌটোর ঢাকনা খুলে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার সন্তানদের জন্য এটি ছিল এক চমৎকার স্মৃতি। তারা এটি চিরকাল মনে রাখবে।’’ লুইসা জানিয়েছেন, মোক্ষম সময়ে এই টাকা খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। কারণ, ড্যানের হাতে কাজ নেই। তাঁদের সংসারে অর্থের অভাব দেখা দিয়েছিল। ফলে ওই টাকা দিয়ে তাঁরা কিছু বকেয়া বিল মেটানোর পাশাপাশি সন্তানদের জন্য বিশেষ আয়োজন করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ বধূ। লুইসার কথায়, ‘‘বাচ্চাদের জন্য ভাল কিছু করা এবং বকেয়া বিল মিটিয়ে ফেলা স্বস্তিদায়ক ছিল। এতে কয়েক সপ্তাহের জন্য আমাদের মানসিক চাপ কিছুটা কমেছিল।’’

লুইসা এবং ড্যানের ‘গুপ্তধন’ খুঁজে পাওয়ার কাহিনি ইতিমধ্যেই হইচই ফেলেছে। সমাজমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ঘটনাটি। এক নেটাগরিক উল্লেখ করেছেন যে, ব্রিটেনে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ছবি থাকা নোট এখনও ব্যাঙ্কে গিয়ে পরিবর্তন বা বিনিময় করা সম্ভব। যদিও কেউ কেউ পরামর্শ দিয়েছেন, নোটগুলির কিছু বিশেষত্ব ছিল কি না বা সেগুলি দুর্লভ ছিল কি না তা যাচাই করা উচিত ছিল দম্পতির। কারণ পুরনো টাকার বিনিময়ে সংগ্রাহকদের কাছ থেকে আরও মোটা টাকা পেতে পারতেন তাঁরা।

Bizarre Incident Britain

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy