এক হাতে ধরা বিষাক্ত গোখরো! অন্য হাতে ফোন ধরে কথা বলছেন। মুহূর্তের অসাবধানতায় প্রাণসংশয় হল যুবকের। হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল তাঁকে। তেমনটাই দাবি করে চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। দাবি, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের সম্বলের। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি বাড়ির আঙিনায় বিশাল এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি গোখরা ঢুকে পড়েছে। সাপটিকে উদ্ধার করতে ডাক পড়ে এক সাপুড়ে যুবকের। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি একটি বিশেষ লাঠির সাহায্যে সাপটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু সাপটিকে লাঠি দিয়ে তোলার সময় মস্ত ভুল করে বসেন যুবক। কানে ফোন নিয়ে অনবরত কারও সঙ্গে কথা বলতে থাকেন তিনি। এর পরে সাপটিকে ব্যাগে ভরার জন্য লাঠি সরিয়ে যখন তিনি সাপটির মুখ ধরার উদ্দেশ্যে নিচু হয়ে বসেন, ঠিক তখনই চোখের পলকে গোখরোটি যুবকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছোবল মারে যুবকের হাতে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োর পরবর্তী অংশে যুবককে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, গোখরোর ছোবল খাওয়ার পর যুবককে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দ্রুত অ্যান্টি-ভেনম প্রয়োগ করা হয় তাঁর শরীরে। বর্তমানে তিনি বিপন্মুক্ত এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে খবর।
আরও পড়ুন:
ঘটনাটির ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে ‘রাহুলশর্মা.রিলস’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। অনেকে জানিয়েছেন, ভিডিয়োটি দেখার পর তাঁরা শিউরে উঠেছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘সাপ ধরা কোনও ছেলেখেলা নয়। ফোনে কথা বলার কী দরকার ছিল? বেঘোরে প্রাণটা যেত।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘এটা বোকামি। যুবককে নতুন জীবন দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানানো উচিত।’’