পড়াশোনার জন্য নিজের দেশ ছেড়ে এ দেশে এসে রয়েছেন। ভারতে থাকতে এসে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন বিদেশি পড়ুয়া। ইনস্টাগ্রামে সে বিষয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে নিজের দেশ জ়িম্বাবোয়ের সঙ্গে ভারতের তুলনা করেছেন। কালুম্বা মোয়ালে নামের ওই তরুণ সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে তাঁর নিজের দেশের জীবনের সঙ্গে ভারতে থাকার অভিজ্ঞতার তুলনা করে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তাঁর পোস্টে দুই দেশের বেশ কিছু পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। তবে ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি সাজানো বাগানের পাশ দিয়ে হাঁটছেন কালুম্বা। ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, “জ়িম্বাবোয়েতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া খুবই চ্যালেঞ্জের। কিন্তু ভারতে প্রতিযোগিতা থাকলেও বিভিন্ন কলেজে একাধিক সুযোগ রয়েছে এবং সেখানে অনেক কম খরচে পড়াশোনা করা যায়। যদিও জ়িম্বাবোয়ের পড়ুয়ারা বিদেশে শিক্ষার জন্য সাধারণত আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলিই বেছে নেন।” তবে প্রচুর ছাত্রছাত্রী এর পরিবর্তে বর্তমানে পড়াশোনার জন্য সক্রিয় ভাবে ভারতকে বেছে নিচ্ছেন দেখে বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন কালুম্বা। তিনি লিখেছেন, “ভারতে বসবাস করে আমি শিখেছি, বিদেশের সুযোগ-সুবিধাগুলি শুধু পশ্চিমি দেশগুলিতেই সীমাবদ্ধ নয়।”
স্বাস্থ্য প্রসঙ্গেও ভারতের পরিষেবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, “উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য বহু মানুষের কাছে ভারত এখন একটি প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “জ়িম্বাবোয়েতে মশলা সাধারণত লঙ্কার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সেখানে ভারতীয় রন্ধনশৈলীতে রয়েছে স্বাদের অফুরন্ত বৈচিত্র। ভারতে প্রায় প্রতি দিনই সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের কিছু না কিছু খাওয়া যায়। ভারতে মশলা হল স্বাদের এক সম্পূর্ণ ভিন্ন জগৎ এবং সেটি ছাড়া খাবার অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে।” তিনি দাবি করেছেন, ভারতে কাটানো সময় তাঁর মানসিকতা পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। কারণ এখানে বসবাস করে তিনি শিখেছেন যে, বিশ্বমানের শিক্ষা এবং সুযোগ-সুবিধা পশ্চিমি দুনিয়ার বাইরেও অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।
আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যেই ভিডিয়োটি ৫৩ লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে। ভাইরালও হয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। নেটাগরিকেরা ভালবাসায় ভরিয়েছেন ওই বিদেশিকে। এক জন লিখেছেন, “সবচেয়ে সুন্দর এই ভূখণ্ডে আপনাকে স্বাগত। ভারতে আপনি সব কিছুই পাবেন। এই সময়টা উপভোগ করুন।” আরও এক জন লিখেছেন, “ভারতে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলেও ভাল দিকটি হল বেছে নেওয়ার জন্য অনেক বিকল্প রয়েছে। কঠোর পরিশ্রম করলে আপনি ব্যর্থ হবেন না।”